Prasun Banerjee And Suvendu Adhikari

প্রাক্তন আইপিএস অফিসারকে ‘চরিত্রহীন’ বলে আক্রমণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের প্রসূনের

২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে মালদহ উত্তর থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। চাঁচলের সভা থেকে তাঁকে নিশানা করেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪৬
Share:

(বাঁ দিকে) প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারী (ডান দিকে)। —ফাইল ছবি।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হল মালদহের চাঁচল থানায়। শুক্রবার মালদহে বিজেপির জনসভা থেকে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা বর্তমান তৃণমূল নেতা প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্কে ‘আপত্তিকর মন্তব্য’ করার অভিযোগ উঠেছে নন্দীগ্রামের বিধায়কের বিরুদ্ধে। তার পর শুভেন্দুর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন প্রসূন স্বয়ং।

Advertisement

মালদহ জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি প্রসূনের অভিযোগ, সম্মানহানিকর এবং ভিত্তিহীন কথা বলেছেন বিজেপির শুভেন্দু। তাঁর উত্তেজনাকর মন্তব্য জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তা ছাড়াও সম্প্রীতিকে আঘাতের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কথা বলা হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করতে আবেদন করেছেন তৃণমূলের প্রসূন।

শুক্রবার চাঁচলে জনসভা থেকে এসআইআর নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ভুয়ো ভোটারেরা যাতে ধরা না পড়েন, সে জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শাসকদল। কিন্তু এ বার আর তা হবে না। পাশাপাশি, উত্তর মালদহ লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী প্রসূনকে পরাজিত করে বিজেপির খগেন মুর্মুকে জেতানোর জন্য ভোটারদের ধন্যবাদ জানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, ‘‘যদি গোটা রাজ্যের সনাতনীরা উত্তর মালদহকে দেখে একটু এগিয়ে আসেন, তবে ২০০ নয়, ২২০টি সিটে (বিধানসভা নির্বাচনে) বিজেপি জিতবে। আর একটি জায়গায় হিন্দুরা ৬৫ শতাংশ ভোট দিয়েছেন— নন্দীগ্রামে। আমি ২ হাজার ভোটে জিতেছিলাম। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে আমাদের (তমলুকের) প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ৭২ শতাংশ হিন্দু ভোট দিয়েছিলেন। নন্দীগ্রাম থেকে উনি ৮২০০ ভোট লিড পেয়েছিলেন। উত্তর মালদহের মতো ওখানেও এ বার ৮৫ শতাংশ হিন্দুর ভোট পাবেন। তৃণমূল যাকেই দাঁড় করাবে ২০ হাজার ভোট পাবে।’’

Advertisement

এর পর গত লোকসভা ভোট প্রসঙ্গে চলে যান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘‘খগেনদাকে হারিয়ে দিত ভুয়ো ভোটে। একটা দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ অফিসার ছিল। বালুরঘাটে গেলে যাকে সকলে বলে চরিত্রহীন প্রসূন। তিনি এখন নেতা হয়েছেন। রাজ্য সরকারের পোস্টেও আছেন। ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বেতন পাচ্ছেন। আবার চাঁচল-হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটরও হয়েছেন।’’ শুভেন্দু খোঁচা দেন, মালদহে তৃণমূলের নেতা নেই। তারা কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যাওয়া মৌসম নূরকে ২০১৯ সালের ভোটের হারের পর ‘ঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছে।’ শুভেন্দুর এই সমস্ত মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement