Malda Death Case

প্রেম করে বিয়ের পর মৃত্যু! নাবালিকার দেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত হচ্ছে মালদহে, ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েক মাসে আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিল এক নাবালিকা। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকে পণের জন্য তার উপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন অত্যাচার করতেন বলে বাড়িতে জানিয়েছিল মেয়েটি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ ২১:১৫
Share:

ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে দেহ তোলা হয়। —নিজস্ব চিত্র।

মেয়ের মৃত্যুর ‘প্রকৃত কারণ’ জানতে আদালতে দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাবা। বিচারকের নির্দেশ, আবার ময়নাতদন্ত করতে হবে। সে জন্য কবর থেকে দেহ তোলা হল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে। সোমবার মালদহের রতুয়া থানা এলাকার ঘটনা।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েক মাসে আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিল এক নাবালিকা। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকে পণের জন্য তার উপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন অত্যাচার করতেন বলে বাড়িতে জানিয়েছিল মেয়েটি। মেয়ের মায়ের অভিযোগ, ‘‘প্রেম করে বিয়ে করেছিল মেয়ে। আমরা পরে মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু বিয়ের মাস খানেক বাদেই এক লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল ছেলের বাড়ি থেকে। টাকা দিতে পারিনি। তখন মেয়েকে খুন করার হুমকিও দেওয়া হয়।’’

গত ১৮ মে মেয়ের মৃত্যুসংবাদ পান বাবা-মা। তার শ্বশুরবাড়ি যান। বাবার দাবি, মেয়ের গলায় দাগ ছিল। মেয়ের মৃত্যুর ১২ দিন পর স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির সাত জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা।

Advertisement

তদন্তে নেমে রতুয়া থানার পুলিশ মৃতার ভাসুর এবং শ্বশুরকে গ্রেফতার করে। তাঁদের আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। পকসো আদালতের বিচারক জয়শঙ্কর রায় দেহ কবর থেকে উঠিয়ে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। সেই মতো মৃতদেহ তুলে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রতুয়া থানার পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার হবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে। মেয়ের মৃত্যুর কারণ জানতে অপেক্ষায় বাবা-মা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement