TMC

TMC and BJP: তৃণমূলকর্মীকে মণ্ডল সম্পাদকের দায়িত্ব বিজেপির, ছাতনায় শুরু দুই দলের টানাপড়েন

গত বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিজেপির ছাতনা এক নম্বর মণ্ডলের সহ-সভানেত্রী পদে ছিলেন শৈব্যা। এর পর তিনি দলত্যাগ করেন বলে দাবি।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ মে ২০২২ ১৫:১৪
Share:

শৈব্যা মণ্ডল। নিজস্ব চিত্র।

তৃণমূলকর্মীকে দলের মণ্ডল সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছে বিজেপি। এই ‘বিভ্রাট’ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে বাঁকুড়ার ছাতনায়। শৈব্যা মণ্ডল নামে ওই তৃণমূলকর্মীর অভিযোগ, তাঁকে না জানিয়েই মণ্ডল কমিটির সম্পাদক করেছে বিজেপি। যদিও বিজেপি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।গত বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিজেপির ছাতনা এক নম্বর মণ্ডলের সহ-সভানেত্রী পদে ছিলেন শৈব্যা। ওই নির্বাচনে তাঁকে সক্রিয় ভাবে গেরুয়া শিবিরের প্রচারে দেখাও গিয়েছিল। কিন্তু শৈব্যার দাবি, বিধানসভা নির্বাচন মিটে যাওয়ার পর দলের বিধায়ক এবং সাংসদ এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে না থাকায় তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তখন থেকেই তিনি এলাকায় একনিষ্ঠ ভাবে তৃণমূলের হয়ে কাজ করে চলেছেন বলেও জানিয়েছেন শৈব্যা। তিনি আরও জানিয়েছেন, দলবদলের বিষয়টি তিনি বিজেপি নেতৃত্বকে আগেই জানিয়েছিলেন। তার পরেও কেন তাঁকে বিজেপির মণ্ডল কমিটিতে রাখা হল তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তাঁর কথায়, ‘‘আমি আগে বিজেপির পদাধিকারী থাকলেও বর্তমানে তৃণমূলের এক জন সাধারণ কর্মী। বিষয়টি অজানা নয় বিজেপির ছাতনা এক নম্বর মণ্ডলের নেতৃত্বের। সম্ভবত আমাকে বিব্রত করতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’’

Advertisement

যদিও শৈব্যার অভিযোগ মানতে নারাজ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির ছাতনা এক নম্বর মণ্ডলের সভাপতি সৌরভ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমরা শৈব্যাকে আমাদের দলের নেত্রী বলেই জানতাম। তিনি যে দল ছেড়েছেন তা তিনি কোনও দিন লিখিত ভাবে জানাননি। মণ্ডল কমিটি গঠনের আগে সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে কথা বলে নাম স্থির করা হয়। তাঁর অনুমতি সাপেক্ষেই পদ দেওয়া হয়েছে। এখন তৃণমূলের চাপে উনি দলবদলের কথা বলছেন।’’

তৃনমূলের ছাতনা ব্লক সম্পাদক শান্তনু কুন্ডু বলেন, ‘‘শৈব্যা মাস ছয়েক আগে বিজেপির পতাকা ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাঁকে বিজেপি দলের পদে বসিয়েছে। মণ্ডল কমিটি গঠনের জন্য বিজেপি লোক না পেলে ওরা আমাদের কাছে অনুরোধ জানাক। এ ভাবে তৃণমূলকর্মীদের বিনা অনুমতিতে বিজেপি মণ্ডল কমিটিতে জায়গা দেওয়ায় তাদের সংগঠনের দৈন্য দশাই প্রকাশ্যে এসেছে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement