Drinking Water crisis

খারাপ নলকূপ, জলকষ্টে গ্রামবাসীরা

তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। নলকূপটি খারাপ থাকায় এখনই জলকষ্ট শুরু হয়ে গিয়েছে। কারণ, পাড়ায় এই একটি মাত্র নলকূপেই জল মেলে।

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:৪৭
Share:

খারাপ হওয়ার পরে নলকূপটি খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মহম্মদবাজারের শ্রীরামপুর সাহাপাড়ায়। নিজস্ব চিত্র।

প্রায় ১৫ দিন ধরে সাহাপাড়ার মধ্যে থাকা একমাত্র সক্রিয় নলকূপটি খারাপ। ফলে, পানীয় জল নিয়ে সমস্যায় মহম্মদবাজার ব্লকের পুরাতনগ্রাম পঞ্চায়েতের শ্রীরামপুর গ্রামের সাহাপাড়ার বাসিন্দারা। স্থানীয় পঞ্চায়েতে জানানোর পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ। নলকূপের যন্ত্রাংশের অভাবে কাজে দেরি হচ্ছে বলে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। নলকূপটি খারাপ থাকায় এখনই জলকষ্ট শুরু হয়ে গিয়েছে। কারণ, পাড়ায় এই একটি মাত্র নলকূপেই জল মেলে। আরও নলকূপ থাকলেও জলস্তর নেমে যাওয়ায় জল ওঠে না। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পঞ্চায়েতে জানানোর পরে ১০ দিন মিস্ত্রি এসে নলকূপটি খুলে নিয়ে গিয়েছে। এর পরে আর কোনও কাজ হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যাঁদের বাড়িতে সাবমার্সিবল রয়েছে, তাঁদের বাড়ি থেকে জল আনতে হচ্ছে। কেউ কেউ পাশের গ্রামের খেতের সাবমার্সিবল থেকেও জল আনছেন।স্থানীয় বাসিন্দা পলাশ সাহা, বাবলু ডুলি, ভুবন বাদ্যকর ও উত্তম সাহারা বলেন, ‘‘এখনই এ অবস্থা হলে তীব্র গরমের সময়ে কী হবে? আমার চাই পঞ্চায়েত থেকে নলকূপটি সারানোর ব্যবস্থা করা হোক।’’

পঞ্চায়েত প্রধান লক্ষ্মী বেসরা বলেন, “পঞ্চায়েতে এ মুহূর্তে নলকূপের যন্ত্রাংশ নেই। আমরা অর্ডার দিয়েছি। পঞ্চায়েতে নলকূপের সরঞ্জাম এলেই শুধু শ্রীরামপুরের সাহা পাড়ার নয়, আমাদের এলাকার সমস্ত নলকূপ সারিয়ে দেওয়া হবে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন