পঞ্চায়েতে ভাঙচুর

এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা মেটানোর দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে এসে পঞ্চায়েত অফিসে ভাঙচুর করল রামপুরহাট থানার আরান্দা গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রামপুরহাট ১ পঞ্চায়েত সমিতির কুশুম্বা পঞ্চায়েতের ঘটনা। রামপুরহাট ১ বিডিও নীতিশ বালা বলেন, ‘‘ওই পঞ্চায়েতে ভাঙচুর হয়েছে। এলাকার জলের সমস্যার কথা আমার জানা ছিল না। আজ থেকে ওই গ্রামে জলের ট্যাঙ্ক পাঠানো হবে।’’

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০১৫ ০২:০১
Share:

এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা মেটানোর দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে এসে পঞ্চায়েত অফিসে ভাঙচুর করল রামপুরহাট থানার আরান্দা গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রামপুরহাট ১ পঞ্চায়েত সমিতির কুশুম্বা পঞ্চায়েতের ঘটনা। রামপুরহাট ১ বিডিও নীতিশ বালা বলেন, ‘‘ওই পঞ্চায়েতে ভাঙচুর হয়েছে। এলাকার জলের সমস্যার কথা আমার জানা ছিল না। আজ থেকে ওই গ্রামে জলের ট্যাঙ্ক পাঠানো হবে।’’

Advertisement

কুশুম্বা পঞ্চায়েত ভবনটি রামপুরহাট থানার চাকাইপুর গ্রামে অবস্থিত। পঞ্চায়েতের নির্বাহী আধিকারিক সজল দাস পোদ্দার এ দিন বলেন, ‘‘ব্লক অফিসে কাজ ছিল। পরে দুপুর দুটো নাগাদ এসে দেখি আরান্দা গ্রামের ২০ জন আদিবাসী যুবক তাদের গ্রামের পানীয় জলের অসুবিধার কথা বলতে গিয়ে আচমকা পঞ্চায়েত ভবনের মধ্যে থাকা প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙতে শুরু করেন। এমনকী, তারা পঞ্চায়েত কর্মীদেরও মারতে উদ্যত হয়।’’ কুশুম্বা পঞ্চায়েতের সহায়ক অরুণ মণ্ডল জানান, এর আগে আরান্দা গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ গ্রামের পানীয় জলের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। পঞ্চায়েত থেকে মিস্ত্রিও পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, কোনও সমস্যা পাওয়া যায়নি বলেই তাঁর দাবি। তার পরে এ দিন হঠাৎ-ই গ্রামবাসীদের একাংশ অফিসে এসে ভাঙচুর চালিয়ে ফিরে যায়। পরে পুলিশ পঞ্চায়েতে এলেও কেউ গ্রেফতার হয়নি। প্রধান তৃণমূলের পম্পা সাহা ট্রেনিংয়ে কলকাতায় থাকার জন্য যোগাযোগ করা যায়নি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement