রাজনাথ সিংহ। — ফাইল চিত্র।
আজ শনিবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিবস। আর এ দিনই শপথ নেবে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকার। সেই উপলক্ষে একটি নিবন্ধ লিখলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা রাজনাথ সিংহ, আর লেখার সূচনায় রাখলেন রবীন্দ্রনাথের লেখা ‘হে নূতন, দেখা দিক আর-বার, জন্মের প্রথম শুভক্ষণ।’ বিজেপি বাঙালির বিরুদ্ধে, এই অভিযোগ বরাবরই খণ্ডন করেছে তারা এবং সেই লক্ষ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান ব্যবহার বা তাঁর উল্লেখও করে বারবার। রাজনাথ লিখেছেন, ‘হে নূতন—আবার দেখা দাও। এই প্রার্থনার মাধ্যমেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশনায় এবং বাংলার প্রতিটি মানুষের আশীর্বাদে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার এখন থেকে তার 'সেবা'কার্য পরিচালনা করবে। বিগত অর্ধ শতাব্দীতে এক সময় মনে হয়েছিল যে বাংলার শ্রেষ্ঠ দিনগুলো হয়তো অতীত হয়ে গেছে। আজ, বাংলার পুনর্জন্ম হয়েছে এক সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ এবং প্রাণবন্ত ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি নিয়ে।’
রাজনাথের দাবি, ‘দীর্ঘদিন ধরে বাংলার বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক শ্রেণির একটি অংশ তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে এক ধরনের অস্বস্তি বা লজ্জার বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে এসেছে। এর ফলাফল ছিল কয়েক দশকের থমকে যাওয়া উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় এবং যারা ধর্ম ও সংস্কৃতির পক্ষে কথা বলার সাহস দেখিয়েছিল,সেই কণ্ঠস্বরগুলোকে স্তব্ধ করে দেওয়া।’ রাজনাথ লিখেছেন, ‘বাংলাকে পুনরুদ্ধার করার অর্থ সেই সব ঘাটের পাশে বিশ্বমানের পরিকাঠামো গড়ে তোলা যেখানে চৈতন্য মহাপ্রভু কীর্তন গেয়েছিলেন। এর অর্থ সেই সব বিদ্যালয়কে অর্থায়ন করা যার স্বপ্ন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দেখেছিলেন। এর অর্থ সেই ভূমিতে শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা যা কয়েক শতাব্দী ধরে ভারতকে শিক্ষাক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছে। এর অর্থ, পশ্চিমবঙ্গে সমস্ত আদিবাসী ভাই-বোনদের মর্যাদা প্রদান করা। এর অর্থ পাহাড়ের মানুষের আকাঙ্ক্ষার মর্যাদা দেওয়া, যারাদীর্ঘ দিন ধরে বাংলার শাসক দলগুলির হাতে বিমাতৃসুলভ আচরণেরশিকার হয়েছে।’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে