অবশেষে বকেয়া বেতন শিক্ষকদের

এ দিন বিধানসভায় নিজের ঘরে বসে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকার প্রশিক্ষণ ছিল না।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৪:৪২
Share:

পার্থ চট্টোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর। অবশেষে শিক্ষক-শিক্ষিকারা বকেয়া বর্ধিত বেতন পেতে চলেছেন। মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজেই এই আশ্বাস দিয়েছেন৷

Advertisement

এ দিন বিধানসভায় নিজের ঘরে বসে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকার প্রশিক্ষণ ছিল না। চাকরিতে নিযুক্ত হওয়ার পরে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না-হওয়ায় ২০১৩ সালের পরে তাঁদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট (বেতন বৃদ্ধি) হয়নি। বর্তমান সরকার ২০১৩ সালে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। ২০১৫ সালের মধ্যে প্রশিক্ষণহীনদের প্রশিক্ষণ হয়ে গিয়েছে।’’

বাম জমানায় ২০০৯ সালে সরকারি আদেশনামা জারি করে প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না-থাকায় তখন সমস্যা মেটেনি বলে জানান পার্থবাবু। অনেক শিক্ষকেরই একটি-দু’টি বা তিনটি ইনক্রিমেন্ট বাকি থেকে গিয়েছিল। পার্থবাবুর কথায়, ‘‘মা-মাটি-মানুষের সরকার ২০১৫ সাল পর্যন্ত ইনক্রিমেন্ট নিরবচ্ছিন্ন রাখার আদেশনামা জারি করে। ফলে ১০ থেকে ১২ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা উপকৃত হবেন।’’ শিক্ষক-শিক্ষিকারা এক দফায় বকেয়া টাকা পাবেন কি না, তা ঠিক হয়নি।

Advertisement

বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির তরফে স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘আমরা এই দাবি জানিয়েছিলাম। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ায় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ।’’ কটাক্ষ করেছে নিখিল বঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। ওই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সমর চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আমাদের অনেক দাবিদাওয়া আছে। তার মধ্যে বেছে বেছে এই দাবিটিই পূরণ করা হচ্ছে। অর্থাৎ সেই ভোটের রাজনীতি!’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement