—প্রতীকী চিত্র।
রাজ্যে তৈরি হবে আয়ুষের আলাদা দফতর। এত দিন ধরে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের অধীনে ছিল আয়ুষ। মঙ্গলবার কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘স্বাস্থ্য দফতর থেকে আয়ুষকে আলাদা করার বিষয়ে নীতিগত ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বার সেটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য রাখা হবে।’’ দক্ষ আধিকারিককে আয়ুষ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।তিনি আরও বলেন, ‘‘আয়ুষের যে সুযোগ গোটা দেশে রয়েছে, সেই সুযোগ এখানেও কাজে লাগানো হবে।’’ ২১ জুন স্বাস্থ্য দফতরের আয়ুষ বিভাগ ও ক্রীড়া দফতর যৌথ ভাবে যোগ দিবস পালন করবে। বিশ্বের ২০০টি দেশ ভারতের যোগ দিবসকে গ্রহণ করলেও এ রাজ্য বিচ্ছিন্ন ছিল বলেই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘এ বারে আমরা যুক্ত হলাম। উৎসবের মতো পালন হবে। আয়ুষ বিভাগের প্রোটোকল মেনে যেখানে যোগাসন হবে সেখানে দু’দিন আগে মহড়া হবে। হঠাৎ করে কেউ ছবি তোলার জন্য যোগাসন করতে যাবেন না।’’মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় খুশি রাজ্যের আয়ুর্বেদ চিকিৎসকেরাও।
অখিল ভারতীয় আয়ুর্বেদ মহাসম্মেলনের রাজ্য সভাপতি তথা আয়ুর্বেদ চিকিৎসক সুমিত সুর জানান, ২০১৪ থেকে রাজ্যে জাতীয় আয়ুষ মিশনের কাজ শুরু হলেও, তা আশানুরূপ নয়। দীর্ঘ সময় ধরে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনার জন্য আয়ুর্বেদ কলেজ তৈরি হয়নি। রাজ্যে এই মুহূর্তে প্রায় ৬০ হাজার আয়ুষ চিকিৎসকের মধ্যে মাত্র দু’হাজার সরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। সুমিত বলেন, ‘‘আলাদা দফতর হলে পঠনপাঠন সহ অন্য বিষয়ও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলেই আশা রাখছি।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে