US-Iran War

এ বার থেকে এক হাজার কেজি বোমা বহনক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হবে! হামলা আরও জোরালো করার হুঁশিয়ারি ইরানের

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের লাগাতার হামলার প্রসঙ্গ তুলে এ বার আরও জোরালো হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিল ইরান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ ১৬:৩৬
Share:

আরও জোরালো হামলার ইঙ্গিত ইরানের। ছবি: সংগৃহীত।

এখনও পর্যন্ত এক টনের কম ওজনের বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এ বার থেকে এক টন বোমা বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হবে। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের লাগাতার হামলার প্রসঙ্গ তুলে এ বার আরও জোরালো হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিল ইরান।

Advertisement

ওয়াশিংটনের সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ়-এর তথ্য বলছে, ইরানের হাতে রয়েছে ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বে নিশানা বানানোর জন্য পরমাণু অস্ত্র বহনক্ষম সুমার ক্ষেপণাস্ত্র। এ ছাড়াও ২০০০ কিলোমিটার মাঝারি পাল্লার সেজ্জিল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এ ছাড়াও রয়েছে জ়োলফাঘর (৭০০ কিমি), ফতেহ-৩১৩ (৫০০ কিমি), শাহাব-২ (৫০০ কিমি), খোরামশহর (২০০০ কিমি), শাহাব-৩ (১৩০০ কিমি), গদর-১ (১৯৫০ কিমি), এমাদ (১৭০০ কিমি), ইয়া-আলি (৭০০ কিমি)-র মতো ক্ষেপণাস্ত্র।

ইরান অ্যারোস্পেস ফোর্স-এর কমান্ডার মাজিগ মৌসবী সোমবার হুঁশিয়ারি দেন, এত দিন এক হাজার কেজির থেকেও কম বোমা বহনক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছেন তাঁরা। এ বার সময় এসেছে আরও জোরালো হামলার। তার পরই মাজিদ ইঙ্গিত দেন, আর কম ওজনের বোমাবর্ষণ নয়, এ বার থেকে এক হাজার কেজির বোমা বর্ষণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। অর্থাৎ আরও জোরদার হামলার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে ইরান। বড় বড় ইমারত গুঁড়িয়ে দিতেই কি এই প্রস্তুতি ইরানের? শুধু তা-ই নয়, মাজিদ আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এ বার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা আরও বাড়ানো হবে। এমনকি হামলার ব্যাপ্তি আরও বাড়ানো হবে।

Advertisement

তবে আমেরিকা পাল্টা দাবি করেছে, তাদের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারছে না ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জোর গলায় দাবি করেন, ইরানের হাতে আর বেশি অস্ত্র নেই। ওদের ৮০ শতাংশ অস্ত্রই যুদ্ধে ব্যবহার হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদন বলছে, ইরানের হাতে এখনও বিপুল অস্ত্র মজুত রয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement