—প্রতীকী চিত্র।
সম্প্রতি শেষ হওয়া গাজ়া যুদ্ধের সময় ঠিক কোন কোনও ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘিত হয়েছে— সেই পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহ করে, তার পর্যালোচনা করবে কমিটি। সেই সঙ্গে ইজ়রায়েল এবং প্যালেস্টাইন-সহ দুই পক্ষের বিভিন্ন মিত্র দেশের পাশাপাশি, কোনও রাষ্ট্র বহির্ভূত শক্তিও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিল কি না, সেই দিকটাও খতিয়ে দেখা হবে। আজ সুইৎজ়ারল্যান্ডের জেনিভায় রাষ্ট্রপুঞ্জের দফতরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই বার্তা দিলেন আন্তর্জাতিকমানবাধিকার পরিষদের বিশেষ কমিটির চেয়ারম্যান তথা দিল্লি হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিশ্রীনিবাসন মুরলীধর।
বিশেষ কমিটির তদন্তে উঠে আসবে গাজ়ায় যুদ্ধবিরতির সময় চলা দু’পক্ষের হানায় ক্ষয়ক্ষতির প্রসঙ্গও। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রাক্তন বিচারপতি মুরলীধর বলেন, ‘‘দু’পক্ষের নাগরিকদের শারীরিক ভাবে ক্ষতি তথা প্রাণহানিরদিকগুলির উপরই আমরা মূলত নজর রাখব।’’ তবে এ ক্ষেত্রে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে তৈরি গাজ়ার শান্তি-বোর্ডের সঙ্গে কোনও সংঘাতের আশঙ্কা দেখছেন না প্রাক্তন বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘‘দু’টো কাজের জায়গা পৃথক।’’ সেই সঙ্গে তিনি আরও জুড়ছেন, ‘‘রাষ্ট্রপুঞ্জের কমিটি হিসেবে আমাদের কাজ, যুদ্ধের পুরোসময়-কালে কোথায় কোথায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, তা চিহ্নিত করা। এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপুঞ্জ আমাদের যা নির্দেশ দিয়েছে, তা আমরা পালন করব।’’
রাষ্ট্রপুঞ্জের বিশেষ কমিটির নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়ে, তিনি ইতিমধ্যেই ইজ়রায়েল সরকারের কাছে একটি চিঠি লিখে তদন্তে সহযোগিতার অনুরোধ করছেন— এ দিন সে কথাও জানিয়েছেন দিল্লি হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি শ্রীনিবাসন মুরলীধর।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে