ইরানে হামলা ইজ়রায়েলের। ছবি: রয়টার্স।
আগামী ১২ ঘণ্টায় তাঁরা যেন কোনও ট্রেনসফর না করেন। শুধু তা-ই নয়, রেলস্টেশন বা রেললাইনের কাছাকাছি যেন না থাকেন। ইরানবাসীদের জন্য এমনই সতর্কবার্তা দিল ইজ়রায়েল বাহিনী। ইজ়রায়েলের এই সতর্কবার্তার পরই প্রশ্ন জোরালো হতে শুরু করেছে, তা হলে কি এ বার ইরানের পরিবহণ ব্যবস্থাকেও নিশানা বানানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে?
পার্সি ভাষায় এক বিবৃতি জারি করে ইজ়রায়েলি বাহিনী ইরানবাসীদের উদ্দেশে জানিয়েছে, নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেন সফর এড়িয়ে চলুন। রেলস্টেশনের ধারেকাছে থাকবেন না। ট্রেন অথবা রেলস্টেশনগুলির কাছেপিঠে থাকলে তা হলে জীবন বিপন্ন হতে পারে। প্রসঙ্গত, ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলি জানিয়েছে, মঙ্গলবার তেহরানের একটি ধর্মীয় স্থানে বোমাবর্ষণ করে আমেরিকা-ইজ়রায়েল। সেই হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে ধর্মীয় স্থানটি।
প্রসঙ্গত, হরমুজ় প্রণালী না খুললে বড় অভিযানের পথে নামার হুমকি দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সময়ও বেঁধে দিয়েছেন। আমেরিকার সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে ইরান যদি হরমুজ় প্রণালী নিয়ে কোনও পদক্ষেপ না করে, আলোচনার রাস্তায় না হাঁটে, তা হলে পরিস্থিতি যে আরও ভয়ানক হতে পারে, তার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প। সেই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইজ়রায়েল এ বার ইরানবাসীদের সতর্ক করল তাঁরা যেন আগামী ১২ ঘণ্টায় ট্রেনে সফর না করেন। স্টেশনের আশপাশে না থাকেন। ঘটনাচক্রে, ট্রামের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা কাছে আসতেই ইজ়রায়েলের এই সতর্কবার্তা নিয়ে প্রশ্ন জোরালো হতে শুরু করেছে, তা হলে কি নতুন কোনও হামলার পরিকল্পনা করছে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা কাছে আসতে ইরানও তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে হামলা থেকে বাঁচাতে মানববন্ধন গড়ার ডাক দিয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে আমেরিকা হামলা চালাতে পারে, এই আশঙ্কায় নয়া রণনীতি নিল ইরান।