—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ইরান উপকূলের অদূরে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হল মার্কিন নৌসেনার বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। এই ঘটনায় দুই নৌসেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে পেন্টাগনের তরফে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। সৌদি আরব উপকূলের অদূরে লোহিত সাগরে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনা। কিন্তু কেন আগুন লাগল ‘আমেরিকার সবচেয়ে দামি যুদ্ধজাহাজ জেরাল্ড ফোর্ডে? পশ্চিম এশিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টিকম) বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘এই অগ্নিকাণ্ড যুদ্ধজনিত নয়।’’ তাদের দাবি, জাহাজের প্রধান ‘লন্ড্রি স্পেস’ থেকে এই আগুনের সূত্রপাত।
পশ্চিম ইরাকে আমেরিকার বিমান ভেঙে চার জনের মৃত্যু হল। ইরাকের ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘দ্য ইসলামিক রেসিসট্যান্স’ এই ঘটনার দায়স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, তারাই গুলি করে যুদ্ধবিমানটিকে নামিয়েছে। তারা এ-ও দাবি করেছে যে, ইরাকের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ করেছে তারা।
ইরানে হামলা চালাল ইজ়রায়েলের সামরিক বাহিনী। রাজধানী তেহরান ছাড়াও শিরাজ়, আহভাজ়ে আকাশপথে হামলা চালানো হয়েছে। হামলা চালানোর আগে তেহরানের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে তেল আভিভ।
বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে ফোন করলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই নিয়ে চার বার কথা হল দুই বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে জয়শঙ্করের সঙ্গে আরাঘচির কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
উত্তর ইজ়রায়েলের নাজ়ারেথের কাছে জ়ারজ়ির নামের গ্রামে ক্ষেপণাস্ত্র হানা ইজ়রায়েলের। আল জাজ়িরা-র প্রতিবেদন অনুসারে, ওই গ্রামে ৩৩ জন আহত হয়েছেন।
পশ্চিম ইরানের আরক শহরে রাতভর হামলা চালাল ইজ়রায়েল। আল জাজ়িরা-র প্রতিবেদন অনুসারে, এই হামলার এক শিশু এবং এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। শহরের ডেপুটি গভর্নর জানিয়েছেন, আহত হয়েছেন ৩৫ জন।
শুক্রবার সকালে (স্থানীয় সময় অনুযায়ী) বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেল সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাইয়ে। সংবাদসংস্থা এএফপি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সকালে মধ্য দুবাইয়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তার পরেই কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। সে দেশের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে ড্রোন হামলা প্রতিহত করা গিয়েছে। ড্রোনের ভগ্নাবশেষ পড়ে থাকতেও দেখা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত হতাহতের খবর নেই।
জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজারে ডামাডোল রুখতে রাশিয়ার তেলে আরও একটু নমনীয় হল আমেরিকা। ভারতের পর এ বার বিশ্বের বাকি সব দেশকেই রাশিয়ার তেল কেনার ছাড়পত্র দিয়ে দিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে এই ছাড়ের মেয়াদ ৩০ দিন (১২ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল)। শর্তটিও আগের মতোই রয়েছে। তা হল, সমুদ্রে আটকে থাকা ট্যাঙ্কার বা জাহাজের তেলই কিনতে পারবে দেশগুলি।