West Asia War

যুদ্ধে মধ্যস্থতার আলোচনা বসছে পাকিস্তানে, রবিবারই যোগ তিন দেশের কূটনীতিবিদদের! ইরান বা আমেরিকা কি থাকছে বৈঠকে

আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে আলোচনা আয়োজনের ইচ্ছা আগেই প্রকাশ করেছিল পাকিস্তান। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ জানিয়েছিলেন, আমেরিকা এবং ইরান রাজি থাকলে পাকিস্তানের মাটিতে আলোচনায় হতে পারে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২৬ ১০:৫১
Share:

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। —ফাইল চিত্র।

আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার আলোচনা হবে পাকিস্তানে। বৈঠকের আয়োজন করে ফেলেছে ইসলামাবাদ। রবিবারই বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা সেই বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তানে পৌঁছোচ্ছেন। পাক বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার মধ্যস্থতা বৈঠকের নেতৃত্ব দেবেন। সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, অন্তত তিনটি দেশের কূটনীতিবিদ পাকিস্তানে আসছেন। তাঁর মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক এবং মিশর রয়েছে। তবে ইরান বা আমে‌রিকার তরফে প্রতিনিধি এই বৈঠকে পাঠানো হচ্ছে কি না, এখনও স্পষ্ট নয়।

Advertisement

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ থামাতে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে সমঝোতার আলোচনা আয়োজনের ইচ্ছা আগেই প্রকাশ করেছিল পাকিস্তান। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ জানিয়েছিলেন, আমেরিকা এবং ইরান রাজি থাকলে পাকিস্তানের মাটিতে তাঁরা আলোচনায় বসতে পারেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শাহবাজ়ের সেই পোস্টটি নিজেও পোস্ট করেছিলেন। মনে করা হয়েছিল, আমেরিকা যে শান্তির জন্য আলোচনায় বসতে চায়, এটাই এখনও পর্যন্ত তার সবচেয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত। পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক বৈঠক হবে ইসলামাবাদে। দারের নেতৃত্বে সেই বৈঠকে থাকবেন সৌদি, তুরস্ক এবং মিশরের বিদেশমন্ত্রীরা। এ ছাড়াও ওই তিন দেশ সিনিয়র কূটনীতিকদের পাকিস্তানে পাঠিয়েছে। তাঁরা আপাতত দু’দিনের সফরে ইসলামাবাদে পৌঁছোচ্ছেন। পশ্চিম এশিয়ায় আঞ্চলিক শান্তি ফেরানোর বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।

পাকিস্তান-সহ একাধিক দেশ দীর্ঘ দিন ধরেই ইরান, ইজ়রায়েল, আমেরিকার মধ্যে সমঝোতায় সচেষ্ট। কূটনীতির মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা চলছে অনেক আগে থেকেই। সেই চেষ্টার সঙ্গে এত দিন যাঁরা যুক্ত ছিলেন, সেই সমস্ত প্রতিনিধিরাও পাকিস্তানের বৈঠকে থাকতে পারেন। এত দিন তাঁরা প্রচারের আলোয় আসেননি।

Advertisement

শোনা যাচ্ছে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স শান্তিবৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তানে যেতে পারেন। ওয়াশিংটনের তরফে সরকারি ভাবে কোনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর একটি রিপোর্টে দাবি, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফকে আলোচনায় পাঠালে তা ফলপ্রসূ হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে ইরান। আরও বড়, ওজনদার কোনও কূটনীতিককে পাঠাতে হবে। তেহরানের তরফে পাকিস্তানের আলোচনায় কেউ থাকছেন কি না, জানা যায়নি। পাকিস্তানের চেষ্টা সত্ত্বেও এই আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। দাবি, আমেরিকার প্রস্তাবগুলি অবাস্তব এবং পরস্পরবিরোধী। ট্রাম্পের দেওয়া ১৫ দফা প্রস্তাবও সরকারি ভাবে স্বীকার করেনি তেহরান।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement