আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ। (ইনসেটে) খাওয়ার প্লেটের সেই ছবি। ছবি: সংগৃহীত।
পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন আমেরিকার যুদ্ধজাহাজে খাবারের সঙ্কট নেই। অভিযোগ, জল্পনা উড়িয়ে এমনটাই দাবি করল আমেরিকা। তারা জানাল, দু’টি জাহাজেই যথেষ্ট খাবার রয়েছে। নৌসেনা এবং কর্মীদের ‘পুষ্টিকর’ খাবার দেওয়া হচ্ছে।
সমাজমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে (আনন্দবাজার ডট কম তার সত্যতা যাচাই করেনি)। তাতে দেখা যায়, ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ইউএসএস ত্রিপোলিতে সওয়ার নৌসেনাদের কম পরিমাণে খাবার দেওয়া হচ্ছে। আমেরিকার নেভাল অপারেশনের প্রধান অ্যাডমিরাল ড্যারিল কডলের দফতর বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছে, তাঁদের পুষ্টিকর খাবারই দেওয়া হচ্ছে। বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘খাবারের সঙ্কট এবং জাহাজে খারাপ মানের খাবার দেওয়া হয়েছে বলে যে খবর রটেছে, তা সর্বৈব মিথ্যা। ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ইউএসএস ত্রিপোলিতে যথেষ্ট খাবার রয়েছে। নাবিকদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে।’’
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এখন সেখানে মোতায়েন নৌসেনাদের ইমেলও পাঠানো যাচ্ছে। তাতে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা আর নেই। আমেরিকার নৌবাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভাল-মন্দের খেয়াল রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, একটি প্লেটের তিন ভাগের এক ভাগ খালি। প্লেটে পড়ে রয়েছে কিছু মাংসের কুচি এবং একটি রুটি বা টরটিলা। পশ্চিম ভার্জিনিয়ার এক গির্জার যাজক কারেন এরস্কাইন ভ্যালেন্টিন দাবি করেন, তিনি নৌসেনার পরিবারের থেকে শুনেছেন, জওয়ানদের পশ্চিম এশিয়ায় নোঙর করা যুদ্ধজাহাজে খারাপ মানের খাবার দেওয়া হচ্ছে। সেই নিয়ে নৌসেনা জওয়ানদের পরিবারে উদ্বেগ ছড়ায়। আমেরিকা দাবি করল, এ রকম কিছু ঘটেনি।
প্রসঙ্গত, ইরান আবার হরমুজ় প্রণালী অবরোধ করেছে। শুক্রবার তা খুলে দেওয়ার ঘোষণা করলেও শনিবার সেই সিদ্ধান্ত বদল হয়। তার পরেই আমেরিকার সঙ্গে তাদের সমঝোতা বিশ বাঁও জলে পড়েছে। অনেকেরই আশঙ্কা, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে পারে। তার মধ্যেই মার্কিন যুদ্ধজাহাজে খাদ্যসঙ্কট হয়েছে বলে জল্পনা ছড়ায়। এ বার তা ওড়াল আমেরিকা।