BNP Leader in Bangladesh

আওয়ামী লীগ দফতরের তালা খোলার কয়েক ঘণ্টাতেই ডিগবাজি বিএনপি নেতার! বললেন, ‘ওটা গুদামঘর জানতাম’

বাংলাদেশে হাসিনার দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে কি না, জল্পনা রয়েছে। তার মাঝেই শুক্রবার পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ দফতরের তালা খুলে দেন বিএনপি নেতা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৩৭
Share:

বাংলাদেশের পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগের দফতরের তালা খুলে দেন বিএনপি নেতা আবু দাউদ প্রধান। ছবি: সংগৃহীত।

বাংলাদেশের পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগের দফতরের তালা খুলে দেওয়া হয় শুক্রবারই। তার জন্য ‘ব্যক্তিগত ভাবে’ উদ্যোগী হয়েছিলেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিএনপি সভাপতি আবু দাউদ প্রধান। তবে ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ‘ডিগবাজি’ খেলেন তিনি। জানালেন, যে ঘরের তালা খোলা হয়েছে, তাকে তিনি গুদামঘর বলে জানতেন। সেখানে আওয়ামী লীগের কার্যালয় রয়েছে বলে কোনও খবরই ছিল না তাঁর কাছে। গোটা ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন দাউদ।

Advertisement

বাংলাদেশে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিএনপি। কিন্তু দেশটিতে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এখনও নিষিদ্ধ। তারা নির্বাচনেও লড়তে পারেনি। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই শুক্রবার খবরের শিরোনামে উঠে আসেন পঞ্চগড়ের বিএনপি নেতা দাউদ। চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দফতরের তালা খুলে দেন তিনি। জানান, দলগত সিদ্ধান্তে নয়, এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ওই ঘর তিনি খুলে দিয়েছেন।

দাউদের সামনে দাঁড়িয়েই তালা খোলার জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে দেখা গিয়েছে। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে (আনন্দবাজার ডট কম তার সত্যতা যাচাই করেনি)। ভিডিয়োতে দাউদের সঙ্গে একাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকে দেখা গিয়েছিল।

Advertisement

খবর ছড়াতেই বিতর্ক দানা বাঁধে। বিএনপির অনেকেই দাউদের সমালোচনা করেন এবং দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তাঁর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ জানানোর কথা বলেন। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে রাতেই সাংবাদিক বৈঠক করেন দাউদ। বলেন, ‘‘ওটা চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয় ছিল না। আমি ঘরটি গুদামঘর বলেই জানতাম। সেখানে কোনও চেয়ার, টেবিল বা কোনও রাজনৈতিক দলের সাইনবোর্ড ছিল না।’’ ঘটনাস্থলে আওয়ামী লীগ নেতাদের উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘আমি তখন লোকজনকে সামলাতে ব্যস্ত ছিলাম। পাশে দাঁড়িয়ে কে কী বলছে, বুঝে উঠতে পারিনি। পরে শুনেছি, সেখানকার ভিডিয়ো আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দেওয়া হয়েছে বলে ছড়ানো হয়েছে।’’ বিএনপি নেতার দাবি, তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবন নষ্ট করা এবং তাঁকে সামাজিক ভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে ভিডিয়ো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement