টুকরো খবর

তেরো বছর আগে এক বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আট হুজি জঙ্গির ফাঁসির নির্দেশ দিল বাংলাদেশের এক আদালত। ২০০১ সালে পয়লা বৈশাখের দিন ঢাকায় ওই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠী হুজির সদস্যরা। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। আহত হয়েছিলেন পঞ্চাশ জনেরও বেশি। আজ অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন বিচারক রুহুল আমিন হুজি প্রধান মুফতি আব্দুল হান্নান-সহ আরও সাত জনকে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করেন। একই মামলায় আরও ছয় জঙ্গির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। ফাঁসির আসামিদের মধ্যে চার জন এখনও পলাতক।

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০১৪ ০৪:২০
Share:

৮ হুজি জঙ্গির ফাঁসির নির্দেশ বাংলাদেশে
নিজস্ব সংবাদদাতা • ঢাকা

Advertisement

তেরো বছর আগে এক বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আট হুজি জঙ্গির ফাঁসির নির্দেশ দিল বাংলাদেশের এক আদালত। ২০০১ সালে পয়লা বৈশাখের দিন ঢাকায় ওই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠী হুজির সদস্যরা। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। আহত হয়েছিলেন পঞ্চাশ জনেরও বেশি। আজ অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন বিচারক রুহুল আমিন হুজি প্রধান মুফতি আব্দুল হান্নান-সহ আরও সাত জনকে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করেন। একই মামলায় আরও ছয় জঙ্গির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। ফাঁসির আসামিদের মধ্যে চার জন এখনও পলাতক। ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল ভোরে ঢাকার এক মঞ্চে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান চলাকালীন পর পর পাঁচটি বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা। পুলিশ জানিয়েছে, পয়লা বৈশাখ উদ্যাপনের দিনটি ইচ্ছে করেই আক্রমণের জন্য বেছে নিয়েছিল হুজি। কারণ, তারা মনে করত পয়লা বৈশাখ পালন হচ্ছে ইসলাম-বিরোধী। ২০০৯ সালেই হুজি প্রধান-সহ ১৪ জনকে এই মামলায় অভিযুক্ত করেছিল আদালত।

Advertisement

নিষেধাজ্ঞা বহাল
সংবাদ সংস্থা • ইসলামাবাদ

দেশ ছাড়তে পারবেন না মুশারফ। সিন্ধু হাইকোর্ট পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সোমবার সরাসরি তা খারিজ করে দিয়ে জানাল, আপাতত ‘একজ়িট কন্ট্রোল লিস্টেই’ থাকছেন পারভেজ মুশারফ। চার বছর স্বেচ্ছানির্বাসনে থেকে গত বছর মার্চেই দেশে ফিরেছিলেন তিনি। তার পর থেকেই কার্যত গৃহবন্দি তিনি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো হত্যা মামলা থেকে শুরু করে আরও বহু মামলা চলছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাই সুপ্রিম কোর্টের রায়, শুনানি চলাকালীন কোনও ভাবেই পাক-ভূখণ্ড ছাড়তে পারবেন না তিনি।


আসল-নকল। ১২৫ বছর পূর্তিতে প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের পাশে তারই প্রতিরূপের প্রস্তুতি। ছবি: এএফপি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement