আপনার শেষ গন্তব্য কী? জানাচ্ছে এই পুজোর থিম
ভবানীপুর স্বাধীন সঙ্ঘের এ বারের পুজোর ভাবনায় ‘গন্তব্য’। মানুষের অনিশ্চিত জীবন যার কেন্দ্রবিন্দু।
১৯৪৯ সালে পথ চলা শুরু। ২০০৬ সালে প্রথম থিম ভিত্তিক পুজোর প্রচলন হয় ভবানীপুর স্বাধীন সংঘে। এর পর ২০০৭ সালে পেশাদার থিম শিল্পীকে দিয়ে মণ্ডপ সজ্জা। এই বছর এই পুজোর ৭৫ বছর।
এই বছরের ভাবনা 'গন্তব্য'। বাস্তবিকই মানুষের জীবন অতিবাহিত হয়ে চলে এক মহা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে। কোনও ব্যক্তিই নিশ্চিত নয়, তার জন্ম ও মৃত্যু সম্পর্কে। ঘটমান বর্তমানকে নিমেষে রূঢ় অতীতে বদলে দেয় কিছু আকস্মিক অঘটন। সাম্প্রতিক কালের এমনই এক মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনার অনুষঙ্গ বেছে নেওয়া হয়েছে এখানে। এই বিপর্যয় বা বিগত সময়ের যে কোনও দুর্ঘটনাই এক অপূরণীয় শূন্যস্থান তৈরী করে প্রতিটি মায়ের আঁচলে। মানবিক প্রাণের অস্তিত্বের বিভেদ ঘটে নিবন্ধীকরণের তফাতে।
যান্ত্রিক ত্রুটি বা মানুষের গাফিলতি যার ফলেই এমন কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে থাকুক না কেন, এর ফলাফল এটাই আবারও প্রমাণ করে যে, আমরা অদৃশ্য সময়ের হাত ধরে, আগামীর সিঁড়ি বেয়ে উঠতে থাকি, অনিশ্চিত এক 'গন্তব্য' র উদ্দেশ্যে। এই পুজোর মণ্ডপ সজ্জার প্রতিটি পরতে পরতে ফুটে উথেছে সেই ছবি।
ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক সঞ্জীব ঘোষের কথায়, ”দর্শনার্থীরা মণ্ডপে এলেই অনুভব করতে পারবেন আমাদের মূল ভাবনা। আমাদের মণ্ডপ সজ্জায় কোনও রঙের ব্যবহার করা হচ্ছে না। আদতে সব মানুষের শেষ গন্তব্য ঠাকুরের কাছে। তাও প্রকাশ পাবে মণ্ডপ সজ্জায়।“
আরও পড়ুন:
কী ভাবে যাবেন ?
নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশনের তিন নম্বর গেট দিয়ে বেরোলে সামনে এলআইসির অফিস। সেই অফিসের পাশেই চোখে পড়বে পুজা মণ্ডপ।
থিম- গন্তব্য
থিম শিল্পী- অনির্বান দাস এবং সুদর্শন হালদার
আরও পড়ুন:
প্রতিমা শিল্পী- অভিষেক ভট্টাচার্য
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।