‘বুড়ি মা’র পুজো দেখতে কৃষ্ণনগর যাচ্ছেন? জেনে নিন পুজোর সমস্ত নির্ঘণ্ট
কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো যেন এক আবেগ। আর এই আবেগের মহোৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হল বুড়ি মা। কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো যেন এক আবেগ। আর এই আবেগের মহোৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হল বুড়ি মা।
কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো যেন এক আবেগ। আর এই আবেগের মহোৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হল বুড়ি মা।
কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো দেখতে বহু মানুষ দূরদূরান্ত থেকে আসেন। তবে অনেকের ক্ষেত্রেই মূল আকর্ষণ থাকে বুড়ি মায়ের পুজো দেখা এবং সেখানে পুজো দেওয়া।
আপনিও কি এ বার বুড়ি মায়ের পুজো দেখতে কৃষ্ণনগর যাচ্ছেন? তা হলে জেনে নিন তাঁর এ বারের পুজোর সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট।
আগামী বুধবার ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় দেবীকে সাজানো হবে।
সে দিনই ভোর রাতে ৪টে নাগাদ মঙ্গল ঘটে জল ভরতে যাওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
৩০ অক্টোবর বিধি মেনে হবে সপ্তমী পুজো। ভোর ৫টা ৪৪ মিনিট থেকে শুরু হবে পুজো।
এ দিনই সকাল সাড়ে নয়টায় হবে অঞ্জলি।
এর পরই সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে যাবে অষ্টমীর পুজো। দুপুর ১২টা নাগাদ হবে অষ্টমীর অঞ্জলি।
অষ্টমীর পুজো মিটতে না মিটতে দুপুর ১টা থেকে শুরু হবে নবমীর পুজো।
আরও পড়ুন:
আড়াইটে নাগাদ অঞ্জলি দেওয়া যাবে নবমীর। এ দিনই দুপুর ৩টে নাগাদ হবে নবমীর বলিদান।
বিকেলে হবে যজ্ঞ এবং আরতি। এর পর সন্ধ্যায় সন্ধ্যারতি হবে।
পরের দিন অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর হবে দশমীর পুজো। সে দিনই বিসর্জন যাবেন দেবী।
বিকেল ৪টে নাগাদ দেবীকে আসন থেকে নামানো হবে।
ফলে যাঁরা কৃষ্ণনগর যাচ্ছেন দেবীর পুজো দেখতে এই সময় মতো পরিকল্পনা করলেই বুড়ি মায়ের গোটা পুজোর সাক্ষী থাকা যাবে। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)