শ্যামা সঙ্গীতের 'রত্নভাণ্ডার' থেকে 'মণি-মুক্ত' তুলে এনে সাজানো হচ্ছে কালীপুজোর মণ্ডপ!
রামপ্রসাদ, কমলাকান্ত থেকে নজরুল ইসলাম, শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে বরেণ্যদের।
এ বারের কালীপুজোয় এক অনবদ্য থিম ভাবনায় তাদের মণ্ডপ সাজিয়ে তুলছে উত্তর কলকাতার গিরীশ পার্ক ৫ স্টার স্পোর্টিং ক্লাব।
কালীপুজোর সমগ্র মণ্ডপটি সেজে উঠছে এই বঙ্গ সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ শ্যামা সঙ্গীতের ঐতিহ্য ও আবেগে।
এই থিম ভাবনা ও তা রূপায়ণের প্রধান কারিগর হলেন শিল্পী দীপাঞ্জন দে।
দীপাঞ্জনের বক্তব্য অনুসারে - রামপ্রসাদ, কমলাকান্তের আমল থেকে হালের বিংশ শতকে হওয়া প্রযুক্তির বিবর্তনেও শ্যামা সঙ্গীতের ভিত অটুট থেকেছে।
প্রযুক্তির হাত ধরে কখনও গ্রামোফোন, কখনও ক্যাসেট, আবার কখনও সিডি-তে মা কালীর সাধন ভজনের গান শুনেছে বাঙালি।
আরও পড়ুন:
শ্যামা সঙ্গীতের সঙ্গে বাঙালির এই চিরন্তন যোগসূত্রই মণ্ডপ সজ্জায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
আর পাঁচটা পুজো মণ্ডপের মতোই এখানেও মূল কাঠামো নির্মাণ করতে বাঁশ, কাঠ, কাপড় প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়েছে।
মণ্ডপের বহির্সজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে গ্রামাফোন রেকর্ডের অসংখ্য পেল্লায়-পেল্লায় সংস্করণ!
মণ্ডপ সজ্জার মাধ্যমেই পান্নালাল ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের মতো বরেণ্য শিল্পীদের শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বাদ যাননি কবি কাজী নজরুল ইসলাম থেকে শুরু করে অন্যান্য কিংবদন্তী কালীভক্ত স্রষ্টা তথা শিল্পীরাও। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।