প্রেজেন্টস্
Knowledge Partner
Fashion Partner
Wedding Partner
Banking Partner
Comfort Partner

জঙ্গলের মধ্যেই দেবীর আরাধনা শুরু, শতাব্দী পেরিয়েও সর্বজনবিদিত মেদিনীপুরের দেবী দক্ষিণা কালী

প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এই মন্দির

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৫ ১৬:৫৩
শহরের বিভিন্ন অলি-গলিতে কতই না কালীকথা। বিভিন্ন প্রান্তেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এমন কিছু দেবী মন্দির, যাদের কথা অনেকের কাছেই হয়তো অজানা।
০১ / ১০

শহরের বিভিন্ন অলি-গলিতে কতই না কালীকথা। বিভিন্ন প্রান্তেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এমন কিছু দেবী মন্দির, যাদের কথা অনেকের কাছেই হয়তো অজানা।

এই যেমন মেদিনীপুরের দেবী দক্ষিণা কালীর মন্দির।
০২ / ১০

এই যেমন মেদিনীপুরের দেবী দক্ষিণা কালীর মন্দির।

প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এই মন্দির রয়েছে মেদিনীপুরের বটতলায়।
০৩ / ১০

প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এই মন্দির রয়েছে মেদিনীপুরের বটতলায়।

সে বহুকাল আগের কথা। এই এলাকা তখন জঙ্গলে ঘেরা। এখন যেখানে মন্দিরের অবস্থান, সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকত একটি বিরাট বটগাছ।
০৪ / ১০

সে বহুকাল আগের কথা। এই এলাকা তখন জঙ্গলে ঘেরা। এখন যেখানে মন্দিরের অবস্থান, সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকত একটি বিরাট বটগাছ।

বলা হয়, পুরী যাওয়ার পথে এই বটগাছের নীচেই নাকি বিশ্রাম নিতেন যাত্রীরা।
০৫ / ১০

বলা হয়, পুরী যাওয়ার পথে এই বটগাছের নীচেই নাকি বিশ্রাম নিতেন যাত্রীরা।

 বহু বছর আগে এখানে দেবী পূজিত হতেন এক দিনের জন্য। তার পরেই বিসর্জন।
০৬ / ১০

বহু বছর আগে এখানে দেবী পূজিত হতেন এক দিনের জন্য। তার পরেই বিসর্জন।

দেবীর ঘটটিকে ধূপ দেখিয়ে আরাধনা করতেন ভক্তরা। পরে নির্মিত হয় দেবীর মন্দির। তাও খড়ের চাল দিয়ে।
০৭ / ১০

দেবীর ঘটটিকে ধূপ দেখিয়ে আরাধনা করতেন ভক্তরা। পরে নির্মিত হয় দেবীর মন্দির। তাও খড়ের চাল দিয়ে।

বলা হয়, সারা পশ্চিমবঙ্গে মাত্র দু’টি বিগ্রহ রয়েছে কষ্টিপাথরের। এর মধ্যেই একটি হল এই মেদিনীপুরের দেবী দক্ষিণা কালীর।
০৮ / ১০

বলা হয়, সারা পশ্চিমবঙ্গে মাত্র দু’টি বিগ্রহ রয়েছে কষ্টিপাথরের। এর মধ্যেই একটি হল এই মেদিনীপুরের দেবী দক্ষিণা কালীর।

প্রতিদিন ভোর পাঁচটার সময়ে মঙ্গল আরতি হয় দেবীর।
০৯ / ১০

প্রতিদিন ভোর পাঁচটার সময়ে মঙ্গল আরতি হয় দেবীর।

তার পরে আবার সকাল আটটার সময়ে খোলা হয় মন্দির এবং পুজো-অর্চনার পর ১২টায় বন্ধ হয়ে যায় মুখ্যদ্বার।  (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।
১০ / ১০

তার পরে আবার সকাল আটটার সময়ে খোলা হয় মন্দির এবং পুজো-অর্চনার পর ১২টায় বন্ধ হয়ে যায় মুখ্যদ্বার। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy