ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
যখনই ধর্মের অধঃপতন এবং অধর্মের অভ্যুথান ঘটেছে, তখনই দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালন এবং অধর্ম বিনাশ করতে ভগবান শ্রী বিষ্ণু যুগে যুগে বিভিন্ন অবতার রূপে ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছেন। ত্রেতা যুগে অযোধ্যায় সূর্যবংশীয় রাজা দশরথ এবং রানি কৌশল্যার পুত্র রূপে, চৈত্র মাসের পবিত্র শুক্লা নবমী তিথিতে ভগবান বিষ্ণুর অবতার রূপে শ্রীরামচন্দ্র অধর্মের বিনাশ এবং ধর্ম স্থাপনের উদ্দেশ্যে ধরাধামে অবতীর্ণ হন। তাই চৈত্র মাসের শুক্লা নবমী তিথিটি হিন্দুদের কাছে পবিত্র রামনবমী হিসাবে খ্যাত।
১২ চৈত্র, ২৭ মার্চ শুক্রবার শ্রীশ্রী রামনবমী।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে:
নবমী তিথি আরম্ভ-
বাংলা- ১১ চৈত্র, বৃহস্পতিবার।
ইংরেজি– ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার।
সময়- সকাল ১১টা ৫০ মিনিট।
নবমী তিথি শেষ-
বাংলা- ১২ চৈত্র, শুক্রবার।
ইংরেজি– ২৭ মার্চ, শুক্রবার।
সময়- সকাল ১০টা ৭ মিনিট।
গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে:
নবমী তিথি আরম্ভ-
বাংলা- ১১ চৈত্র, বৃহস্পতিবার।
ইংরেজি– ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার।
সময়– দুপুর ২টো ২৮ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড।
নবমী তিথি শেষ-
বাংলা- ১২ চৈত্র, শুক্রবার।
ইংরেজি– ২৭ মার্চ, শুক্রবার।
সময়- দুপুর ১২টা ২০ মিনিট ১৭ সেকেন্ড।
রামনবমীর পুণ্য তিথিতে সূর্যদেবের আরাধনা করলে এবং পদ্মফুল ও তুলসীপাতা সহযোগে ভগবান শ্রীবিষ্ণুর আরাধনা করলে বিশেষ ফল লাভ হয়। ভগবান শ্রীরামের আরাধনায় রবি গ্রহের শুভ ফল লাভ করা যায়। রামনবমীর পুণ্য প্রভাতে সূর্যদেবকে অর্ঘ্য প্রদান এবং সূর্যদেবের উপাসনা বিশেষ শুভ ফলদায়ক হয়।