Advertisement

লোক ভবনে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাল বিজেপি, রাজ্যপালের হাতে বিধায়কদের স্বাক্ষরপত্র দিলেন শুভেন্দুরা

শনিবার ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করবেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবারই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পরিষদীয় নেতা হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০২৬ ২০:০৮
রাজ্যপাল আরএন রবির হাতে বিধায়কদের স্বাক্ষরপত্র তুলে দিচ্ছেন (বাঁ দিকে থেকে) দিলীপ ঘোষ, শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী।

রাজ্যপাল আরএন রবির হাতে বিধায়কদের স্বাক্ষরপত্র তুলে দিচ্ছেন (বাঁ দিকে থেকে) দিলীপ ঘোষ, শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী। — নিজস্ব চিত্র।

লোক ভবনে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি আনুষ্ঠানিক ভাবে পেশ করল বিজেপি। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্যপাল আরএন রবির হাতে বিজেপি বিধায়কদের স্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি তুলে দেন বিধানসভার পরিষদীয় দলের নেতা তথা রাজ্যের হবু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ অন্য বিধায়কেরা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা এবং পড়শি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করবেন শুভেন্দু। শুক্রবারই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পরিষদীয় নেতা হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় লোক ভবনে গিয়ে রাজ্যপালের হাতে বিধায়কদের স্বাক্ষরপত্র তুলে দেন বিজেপির সদ্য নির্বাচিত বিধায়কেরা। তালিকায় শুভেন্দু, শমীক ছাড়াও ছিলেন দিলীপ ঘোষ, তাপস রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। পরিষদীয় দলনেতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শাহের সঙ্গে দায়িত্ব পেয়েছিলেন মাঝিও।

যে কোনও রাজ্যে নির্বাচনের পর বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা বাছাইয়ের সময় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের সেই রাজ্যে পাঠান বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এ বার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে প্রধান পর্যবেক্ষক করা হয়েছিল শাহকে। তাঁর সঙ্গে সহকারী পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন পড়শি রাজ্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মাঝি। তাঁদের তত্ত্বাবধানে শুক্রবার বিকেলে নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে হবু বিধায়কদের বৈঠক হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে পরিষদীয় দলনেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দুর নাম স্থির হয়েছে।

বৃহস্পতিবারই পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করে লোক ভবন। রাজ্যপাল রবির দফতরের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৭ মে (বৃহস্পতিবার) থেকে বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য, বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার অর্থ হল সরকারও আর নেই। ইস্তফা না-দিলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর মন্ত্রিসভা এখন ‘প্রাক্তন’। তবে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতাকে বরখাস্ত করেননি রাজ্যপাল। আবার তাঁকে নতুন সরকারের শপথ পর্যন্ত ‘তদারকি মুখ্যমন্ত্রী’ হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেননি।

শুক্রবার রাজ্যপালের হাতে বিজেপি বিধায়কদের স্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি তুলে দিলেন শুভেন্দুরা। তার ভিত্তিতেই রাজ্যপাল শনিবার বিজেপি-র নতুন সরকারকে শপথগ্রহণ করাবেন।

সংক্ষেপে
  • পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার সকালে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার, পঁচিশে বৈশাখ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করবেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী।
  • অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তাঁকে ৪ মে-র পরে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসতে হবে। সেইমতো পঁচিশে বৈশাখ রাজ্যে আসছেন মোদী।
  • প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা ৫ মিনিট নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার বি-৭৭৭ বিমানে চেপে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা মোদীর।
সর্বশেষ
২ ঘণ্টা আগে
Governor Suvendu Adhikari
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy