Advertisement

নবান্ন অভিযান

কলকাতায় এলেন শাহ, বৈঠক করবেন বিজেপির হবু বিধায়কদের সঙ্গে! সন্ধ্যার মধ্যেই চূড়ান্ত হতে পারে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম

বিজেপির হবু বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের আগে নিউ টাউনের হোটেলে একটি মধ্যাহ্নভোজে থাকবেন শাহ। বিজেপি সূত্রে খবর, বিশ্ব বাংলা কনভেশন সেন্টারে বৈঠক করবেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০২৬ ১১:১৪
Amit Shah arrives in Kolkata, will meet with prospective BJP MLAs

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী। —ফাইল চিত্র।

কলকাতায় এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার বেলা ১১টার পর তাঁর বিমান নামে কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকে তিনি সোজা চলে যান দক্ষিণেশ্বরে। মন্দিরে পুজো দিয়ে তিনি যাবেন নিউ টাউনের হোটেলে। দুপুরে বিশ্ব বাংলা কনভেশন সেন্টারে বিজেপির জয়ী প্রার্থী তথা হবু বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। সূত্রের খবর, সেখানেই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম স্থির হয়ে যাবে।

বিজেপির হবু বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের আগে নিউ টাউনের ওই হোটেলে একটি মধ্যাহ্নভোজে থাকবেন শাহ। ওই হোটেলেই রাত্রিবাস করবেন শাহ। শনিবার সেখান থেকে সোজা চলে যাবেন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। সেখানেই শপথে নেবেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী।

বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা বেছে নেওয়ার কাজে পর্যবেক্ষক করা হয়েছে শাহকে। সেই কাজে তাঁর সহকারী হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিকে। যে কোনও রাজ্যে নির্বাচনের পরে পরিষদীয় দলনেতা বাছাই করার সময় সেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের পাঠান বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা দলের নবনির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই পরিষদীয় দলনেতার নাম ঘোষণা হয়ে যায়। এটি বিজেপির পরিষদীয় রীতি। সূত্রের খবর, এ বার বিধানসভার অন্দরে বিজেপির ভূমিকা বদলাতে চলেছে। বিজেপি এখন বিধানসভায় সরকারপক্ষের ভূমিকায় থাকবে। সে ক্ষেত্রে নতুন মুখ্যমন্ত্রীই হবেন বিধানসভায় শাসকদলের পরিষদীয় দলনেতা। অর্থাৎ, এ বারের বৈঠকে শুধু পরিষদীয় দলনেতা নন, একই সঙ্গে স্থির হয়ে যাবে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম।

রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা এখনও চূড়ান্ত নয়। বিজেপির অন্দরেও তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, শুভেন্দু অধিকারীকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে পদ্মশিবির। তবে শুভেন্দুর নামে শেষপর্যন্ত সিলমোহর পড়বে, না কি অন্য কাউকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নেওয়া হবে, তা শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে বলে মনে করছেন অনেকে। সূত্রের খবর, নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যাঁর নাম স্থির হবে, তিনিই সন্ধ্যায় হবু বিধায়কদের নিয়ে রাজভবনে যাবেন এবং রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের আর্জি জানাবেন।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Amit Shah BJP
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy