Advertisement

রাজ্যে ভোটে ‘পুলিশ’-এর মতোই কাজ করেছে পুলিশ, সাবাশি কমিশনের

সত্যিকারের ‘পুলিশ’-এর মতোই কাজ করে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা কুড়িয়ে নিল কলকাতা ও রাজ্যের পুলিশ বাহিনী। আজ দক্ষিণ কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও হুগলির ভোট প্রায় নির্বিঘ্নে মিটে যাওয়ার কৃতিত্ব রাজ্য পুলিশকেই দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত উপ নির্বাচন কমিশনার সন্দীপ সাক্সেনা বলেন, ‘‘রাজ্যের পুলিশ দ্রুততার সঙ্গে কাজ করেছে।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০১৬ ২০:৫৫

সত্যিকারের ‘পুলিশ’-এর মতোই কাজ করে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা কুড়িয়ে নিল কলকাতা ও রাজ্যের পুলিশ বাহিনী।

আজ দক্ষিণ কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও হুগলির ভোট প্রায় নির্বিঘ্নে মিটে যাওয়ার কৃতিত্ব রাজ্য পুলিশকেই দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত উপ নির্বাচন কমিশনার সন্দীপ সাক্সেনা বলেন, ‘‘রাজ্যের পুলিশ দ্রুততার সঙ্গে কাজ করেছে। পুলিশের যে সব পর্যবেক্ষক আমরা রেখেছিলাম, তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী আজ পুলিশ প্রচণ্ড সক্রিয় ছিল। ভোটের আগে রাজ্য পুলিশের উদ্যোগেই বিভিন্ন জায়গা থেকে তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে পুলিশ সক্রিয় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে। তার ফলে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা বাদ দিলে ভোটগ্রহণ একেবারে নির্বিঘ্নে হয়েছে।’’

দক্ষিণবঙ্গের এই ৫৩টি আসনের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির কথা মাথায় আজকের ভোটের জন্য অভিনব কিছু ব্যবস্থা নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। বিশেষ করে ভোটের আগে ৪৮ ঘন্টায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রাতে টহলদারির ব্যবস্থা হয়। তার সঙ্গে জায়গায় জায়গায় নাকাবন্দি-র ব্যবস্থা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সন্দীপ জানান, ‘‘লক্ষ্য ছিল, যাতে কোনও বাইকবাহিনী, কোনও বহিরাগত এলাকায় ঢুকে ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে। বিএসএফ-কে দক্ষিণ ২৪ পরগণার আন্তর্জাতিক সীমান্তে দুষ্কৃতীদের অনুপ্রবেশ রুখতে বাড়তি নজরদারির করেছিলাম। নদী এলাকাতেও কার্যত সীমান্ত সিল করে দেওয়া হয়েছিল। তার সঙ্গে কড়া ভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, ভোটারদের ভয় দেখানো দূরে থাক, দুষ্কৃতীরা যাতে ভয় দেখানোর কথা ভাবতেও না পারে।’’

আরও পড়ুন- বিচারক মানুষ সময়ের অপেক্ষায়

নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, আজ ৫৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ মিলিয়ে ১.০৪ লক্ষ নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। ভোটের আগে এই ৫৩টি বিধানসভা আসনে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১০,২১০টি জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা হয়েছে। গণ্ডগোল ঠেকাতে আগাম ২,৬৮২ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়। ৩৭৪টি বেআইনি অস্ত্র আটক করা হয়েছিল।

সাতগাছিয়া কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী সোনালি গুহর বিরুদ্ধে আজ অভিযোগ উঠেছে, তিনি বিরোধী দলের প্রার্থীকে হেনস্থা করার জন্য সমর্থকদের নির্দেশ দিচ্ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৭১, ১৮৮ ও ৫০৬ ধারায় এফআইআর করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উপ নির্বাচন কমিশনার জানান, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সংক্রান্ত ফাইল খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Election Commission Praises Role Of WB Police and Central Forces
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy