কলকাতার বেলেঘাটায় এক তৃণমূলকর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, খুন করা হয়েছে তাঁকে। ঘটনার অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে। খবর পেয়ে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান বেলেঘাটার হবু বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
জানা গিয়েছে, মৃতের নাম বিশ্বজিৎ পট্টনায়ক। বেলেঘাটার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তিনি। তাঁর স্ত্রী জানিয়েছেন, সোমবার রাতে বাড়ির বাইরে একটা শব্দ শুনে বেরিয়ে দেখেন বিশ্বজিৎ পড়ে রয়েছেন। ওই অবস্থা থেকে উদ্ধার করে তাঁকে প্রথমে নীলরতন সরকার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় অন্য হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় বিশ্বজিতের।
কী ভাবে বিশ্বজিতের মৃত্যু হল, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। পরিবারের অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে লালবাজার হোমিসাইড বিভাগও। গোয়েন্দা বিভাগে ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দেহ ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের তরফে ময়নাতদন্তের ভিডিয়োগ্রাফি চাওয়া হয়েছে বলে খবর। ভোট-পরবর্তী হিংসার কারণে মৃত্যু অভিযোগ এখনই মানতে চাইছে না পুলিশ।
আরও পড়ুন:
ঘটনার খবর পেয়ে শোকস্তব্ধ পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন কুণাল। পরিবারের দাবি উল্লেখ করে তিনি জানান, ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক পুলিশ। বেলেঘাটার হবু বিধায়কের কথায়, ‘‘মৃতের স্ত্রী এবং বোনেদের কথা যাতে পুলিশ গুরুত্ব সহকারে শোনে এবং তার পরে যথাযথ ব্যবস্থা নিক, তার অনুরোধ জানাচ্ছি।’’ কুণালের আরও দাবি, বেলেঘাটার অন্য ওয়ার্ডগুলিতেও ভোট-পরবর্তী ‘সন্ত্রাস’ চলছে। সেই সব ঘটনার কথা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে বলে জানান কুণাল।