Advertisement
E-Paper

‘প্রত্যেক বারের মতোই শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট হবে কলকাতায়’! দায়িত্ব পেয়েই প্রতিশ্রুতি সিপি অজয়ের, কী বার্তা বাহিনীকে

সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতার নগরপালের দায়িত্ব থেকে সোমবার সকালেই সরিয়ে দেয় কমিশন। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় অজয়কে। দায়িত্ব নিয়েই লালবাজার থেকে তিনি সোজা চলে যান ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:১৫
What did the new Kolkata CP Ajay Kumar Nanda say about the upcoming elections and law and order after taking charge

কলকাতার নতুন সিপি অজয়কুমার নন্দ। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশমতো সোমবার দুপুরেই লালবাজারে গিয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। তার পরেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার অজয়কুমার নন্দের প্রতিশ্রুতি, ‘‘প্রত্যেক বারের মতোই অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হবে।’’ শুধু নির্বাচন নিয়ে নয়, কলকাতার পুলিশ বাহিনীকেও তিনি বার্তা দেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমি ব্যর্থ হতে পারি না।’’

সুপ্রতিম সরকারকে কলকাতার নগরপালের দায়িত্ব থেকে সোমবার সকালেই সরিয়ে দেয় কমিশন। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় অজয়কে। দায়িত্ব নিয়েই লালবাজার থেকে তিনি সোজা চলে যান ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচি ছিল। গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিলের পর ধর্মতলায় সভা করেন তিনি। সেই সভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ডোরিনা ক্রসিংয়ে যান নতুন সিপি। তার পরেই কলকাতার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচন নিয়ে বার্তা দেন তিনি।

শনিবার ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গিরিশ পার্ক। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। মারধরের পাল্টা অভিযোগ করে বিজেপিও। নির্বাচনের আগে কলকাতায় এমন ঘটনায় কি প্রশ্নের মুখে ফেলল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে? নতুন নগরপালের কথায়, ‘‘গিরিশ পার্কে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত খারাপ ঘটনা। পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমি যথাযথ খোঁজখবর রাখছি।’’

অজয় চান, প্রত্যক বারের মতো এ বারও কলকাতায় অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। কলকাতাবাসীকে তাঁর প্রতিশ্রুতি, ‘‘কলকাতা পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। প্রত্যেক বার যেমন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হয়, এ বারও তাই হবে।’’ অজয়ের কথায়, ‘‘আগেও নির্বাচন হয়েছে। আমাদের ফোর্স আছে। আরও ফোর্স আসছে।’’ অর্থাৎ, তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচনে অশান্তির ঘটনা যাতে না-হয়, তা রুখতে তাঁর হাতে যথেষ্ট বাহিনী রয়েছে।

নতুন সিপির কথায়, ‘‘প্রত্যেক নির্বাচনই চ্যালেঞ্জিং। পুলিশের থেকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা থাকে। রাজনৈতিক দলগুলিও আশা করে পুলিশ নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করবে। কিছু ফাঁক থাকবে। তবে সেই আশা-প্রত্যাশা পূরণ করা পুলিশের চ্যালেঞ্জ। । আমরা আশা পূরণ করব।’’ একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশের বাহিনীকেও বার্তা দেন অজয়। তাঁর কথায়, ‘‘পুলিশ বাহিনী কলকাতাবাসীর নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন‍্য দায়বদ্ধ। তেমনই কলকাতার নগরপাল হিসাবে আমার সহকর্মী এবং অফিসারদের আমি বলতে চাই, এখানে ব্যর্থ হতে পারি না।’’

কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার অজয় ১৯৯৬ ব্যাচের আইপিএস। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। মাওবাদী দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর। আসানসোল-দুর্গাপুরের কমিশনার হিসাবেও কাজ করেছেন এক সময়। ছিলেন কলকাতা পুলিশেও। এর আগে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ-এর প্রথম আইজি নিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি।

Kolkata Police Commissioner
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy