Follow us on
Powered by
Co-Powered by
Co-Sponsors
Powered by
Co-Powered by
Co-Sponsors

বসন্ত খুঁজে পেতে মার্চের রাজধানীর বুকে

কলকাতা থেকে রাজধানীর দূরত্ব যতই হোক না কেন, ট্রেনের কোনও কমতি নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদন
কলকাতা| ০৩ মার্চ ২০২১ ১৫:৫৩ শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২১ ১৫:৫৩

কলকাতায় কখন যে বসন্ত আসে আর কখন বিদায় নেয়, তা টের পাওয়া দুরূহ। এই মার্চ মাসেই যে দিকে তাকাবেন, সে দিকেই চড়া রোদের ঝলকানি। এমন সময়ে বসন্তকে খুঁজে পেতে হলে দিল্লি ভ্রমণ মন্দ নয়। রাজধানীতে এই মুহূর্তে এক মনোরম আবহাওয়ার বিচরণ।

কলকাতা থেকে রাজধানীর দূরত্ব যতই হোক না কেন, ট্রেনের কোনও কমতি নেই। রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে শুরু করে দুরন্ত এক্সপ্রেস, সবই রাজধানীর বুকে আপনাকে নিয়ে যাবে।

দিল্লির বেশির ভাগ জায়গাই ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত। সুলতানি বা মুঘল আমলের স্মৃতিবহ এই সব জায়গা আগে ঘোরা থাকলেও আবার ঘুরতে মন্দ লাগবে বলে মনে হয় না।


১. কুতুব মিনার – ১৩ শতকের সুফি সাধক কুতুবুদ্দিন বখতিয়ার কাকির স্মৃতিতে এই মিনার নির্মিত বলে ইতিহাসবিদদের অনুমান। সুলতান কুতুবুদ্দিন আইবক এটির নির্মাণ শুরু করলেও এর কাজ শেষ হয় সুলতান ইলতুতমিসের আমলে।দিল্লির মেহরৌলিতে এটি অবস্থিত।

২. ইন্ডিয়া গেট – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত সেনাদের স্মৃতিতে ইংরেজদের বানানো এই সৌধ দিল্লির প্রধান দ্রষ্টব্যগুলির মধ্যে অন্যতম।

৩. হুমায়ুনের সমাধি – মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের সমাধি দিল্লির আর এক দ্রষ্টব্য। এটি মুঘল স্থাপত্যের এক বিশিষ্ট উদাহরণ।


৪. লাল কেল্লা – লাল কেল্লা মুঘলদের শাসনকেন্দ্র ছিল ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত। ঐতিহাসিক এই কেল্লার লাইট অ্যান্ড সাউন্ড অন্যতম আকর্ষণ।

৫. যন্তর মন্তর – জয়পুর রাজ দ্বিতীয় জয় সিংহের নির্দেশে এই সুবিশাল মানমন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল।

৬. চাঁদনি চক – পুরোনো দিল্লির প্রাণ হল এই চাঁদনি চক। সাবেক দিল্লির স্বাদ পেতে হলে এখানে আসতেই হবে।

এছাড়াও লোটাস মন্দির, রাস্ট্রপতি ভবন, হজ খাস, অগ্রসেন কুয়ো, অক্ষরধাম মন্দির, জামা মসজিদ, নিজামুদ্দিন দরগা আজও পর্যটকদের পছন্দ।

থাকা-খাওয়া নিয়ে রাজধানীতে কোনও সমস্যা নেই।সস্তা থেকে দামি, সব ধরনের থাকার ও খাওয়ার জায়গাই দিল্লিতে মজুত। যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ি ভাড়া করে অথবা মেট্রোয় সওয়ার হয়ে আপনি দিল্লি ঘুরতে পারেন।

আরও পড়ুন