Notice period in Office

৯০ দিনের আগে মিলবে না পুরনো চাকরি থেকে মুক্তি, ক্ষুব্ধ কর্মীর পাল্টা প্রশ্নে পিনপতন নীরবতা নেমে এল অফিসে!

দিল্লিতে কর্মরত তাঁর এক সহকর্মীর কথা তুলে ধরেছেন নিশান্ত। নিশান্তের সহকর্মী বিভিন্ন বিষয়ের উপর লেখালিখি করেন (কন্টেন্ট রাইটার)। নতুন চাকরি পাওয়ার পর তাঁকে ৩০ দিনের মধ্যে যোগদান করতে বলা হয়। কর্মী পুরনো সংস্থার মানবসম্পদ দফতরের কাছে তাঁর ৯০ দিনের নোটিস পিরিয়ড কমানোর জন্য আবেদন জানান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:০৩
Share:

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

চাকরি ছাড়ার সময় কর্মীকে নোটিস পিরিয়ড নিয়ে প্রশ্ন করেছিল সংস্থা। পাল্টা জবাবে কর্মী এমন একটি প্রশ্ন তুলেছিলেন তার উত্তরে ছিল শুধুই পিনপতন নিস্তব্ধতা। মুম্বইয়ের বাসিন্দা এক ব্যক্তি কর্মক্ষেত্রের একটি ঘটনা শেয়ার করেছেন, যা ভারতের কর্মক্ষেত্রের দ্বৈতনীতি সম্পর্কে ব্যাপক আলোচনার সূত্রপাত করেছে। তিনি এক কর্মী ও মানবসম্পদ বিভাগের মধ্যে হওয়া একটি সাধারণ কথোপকথন প্রকাশ্যে এনেছেন সমাজমাধ্যমে। পোস্টটি লিঙ্কডইনে শেয়ার করেছেন কন্টেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট নিশান্ত জোশী।

Advertisement

দিল্লিতে কর্মরত তাঁর এক সহকর্মীর কথা তুলে ধরেছেন নিশান্ত। নিশান্তের সহকর্মী বিভিন্ন বিষয়ের উপর লেখালিখি করেন (কন্টেন্ট রাইটার)। নতুন চাকরি পাওয়ার পর তাঁকে ৩০ দিনের মধ্যে যোগদান করতে বলা হয়। কর্মী পুরনো সংস্থার মানবসম্পদ দফতরের কাছে তাঁর ৯০ দিনের নোটিস পিরিয়ড কমানোর জন্য আবেদন জানান। দফতর থেকে তখন তাঁকে বলা হয় সুষ্ঠু ভাবে কাজ হস্তান্তরের জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে তিন মাসের নোটিসে থাকতে হবে। এটি পেশাগত নীতিমালার অংশ বলে উল্লেখ করে সংস্থা। কর্মচারী তখন সরাসরি প্রশ্ন তুলে সটান মুখের উপর বলে দেন, “গত মাসে যখন সংস্থা এক শুক্রবার সন্ধ্যায় পুরো ডিজ়াইন টিমকে বরখাস্ত করল তখন ৯০ দিনের নোটিস ও সুষ্ঠু হস্তান্তর কোথায় ছিল?”

নিশান্তের দাবি, এই ব্যবস্থাটি শুধুমাত্র একমুখী ভাবেই কাজ করে। তিনি লিখেছেন, সংস্থাগুলি কর্মীদের কাছ থেকে দীর্ঘ নোটিস পিরিয়ড আশা করে। কিন্তু কর্মীছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে একই নিয়ম অনুসরণ করে না। তিনি এই ধরনের নীতির আসল উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে, ৯০ দিনের নোটিসের উদ্দেশ্য সব সময় যথাযথ দায়িত্ব হস্তান্তর না-ও হতে পারে। বরং এটি কর্মীদের অন্যত্র চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেও তাঁদের অন্যায্য ভাবে আটকে রাখার একটি উপায় হতে পারে।

Advertisement

পোস্টটির সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন বহু নেটাগরিকই। এক লিঙ্কডইন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘যে সংস্থা ৬০-৯০ দিনের নোটিস পিরিয়ডের আগে কোনও কর্মীকে ছেড়ে দেয় না, তারাই আবার নতুন যোগদানকারীকে অবিলম্বে যোগদান করতে বলে!! একেই বলে দ্বৈত নীতি!”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement