IT Return Form 130

চাকরিজীবীদের আয়কর রিটার্ন জমার নিয়মে বড় বদল! ফর্ম-১৬-এর পরিবর্তে মিলবে অন্য নথি, কী কী থাকছে তাতে?

১ এপ্রিল থেকে নতুন আয়কর আইন কার্যকর করবে কেন্দ্র, যার জেরে এ বছর অনেকটাই বদলাচ্ছে আয়কর রিটার্ন জমা করার নিয়ম। সরকারি এবং বেসরকারি চাকরিজীবীরা নিয়োগকারী সংস্থার থেকে হাতে পাবেন না ফর্ম-১৬।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৪:০১
Share:

—প্রতীকী ছবি।

চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন আয়কর আইন। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কেন্দ্র। নতুন নিয়মে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের আর দেওয়া হবে না ফর্ম-১৬। সে ক্ষেত্রে কী ভাবে আয়কর রিটার্ন জমা করবেন তাঁরা? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।

Advertisement

নতুন আয়কর বিধিমালা অনুযায়ী, এ বছর থেকে উঠে যাচ্ছে ফর্ম-১৬। সেই জায়গায় সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের মধ্যে ফর্ম-১৩০ বিলি করবে নিয়োগকারী সংস্থা। ওই নথির উপর ভিত্তি করে আয়কর রিটার্ন জমা করতে হবে তাঁদের। পূর্বতন ফর্ম-১৬-এর তুলনায় অনেক বেশি সরল হতে চলেছে ফর্ম-১৩০, খবর সূত্রের।

নতুন আইন মোতাবেক রিটার্নের জন্য হাতে পাওয়া ওই নথির তিনটি অংশ থাকবে। নিয়োগকারী সংস্থা এবং কর্মীর যাবতীয় তথ্যে তৈরি হচ্ছে ফর্ম-১৩০-এর প্রথম অংশ। দ্বিতীয় অংশে মিলবে বেতন এবং আয়কর বাবদ কেটে নেওয়া টাকার অঙ্ক। সব শেষে করযোগ্য আয় কী ভাবে গণনা করা হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ পাবেন সংশ্লিষ্ট কর্মী। এক কথায় ফর্ম-১৩০ নিয়োগকারী সংস্থার দেওয়া টিডিএস (ট্যাক্স ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স) শংসাপত্র হিসাবে কাজ করবে বললে অত্যুক্তি হবে না।

Advertisement

আয়কর দফতর সূত্রে খবর, রিটার্নের জন্য জারি করা নতুন নথিতে আয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাবেন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কর্মী। এতে মূল বেতন, বিভিন্ন ভাতা, করছাড়, কর কাটার পরিমাণ, মোট করযোগ্য আয়, প্রদেয় কর এবং যে কোনও ধরনের ছাড়ের দাবি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি, ফর্ম-১৩০ থেকে টিডিএস এবং টিসিএসের (ট্যাক্স কালেক্টেড অ্যাট সোর্স) তথ্যও হাতে পাবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

বিশ্লেষকদের দাবি, নতুন নথি আয়করদাতাদের উপর নানা ধরনের প্রভাব ফেলবে। আগাম রিটার্ন জমা করা বেতনভোগীরা সেই পরিবর্তন সবচেয়ে বেশি বুঝতে পারবেন। বিনিয়োগকারীদের মূলধনী লাভের (শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা) তথ্য দাখিলের ক্ষেত্র আরও সুনির্দিষ্ট হতে পারে। পাশাপাশি, অনাবাসী ভারতীয় (নন-রেসিডেন্ট ইন্ডিয়ান বা এনআরআই) এবং উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের আরও কড়া বিধির মুখে পড়তে হতে পারে।

তবে ফর্ম-১৩০-এ প্রবীণ নাগরিকেরা লাভবান হবেন বলে অনুমান আর্থিক বিশ্লেষকদের একাংশের। তাঁদের পেনশন এবং সুদ থেকে আয়ের তথ্য রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়া সহজ হতে পারে। সংশ্লিষ্ট নথিটি হাতে তৈরি করতে পারবে না নিয়োগকারী সংস্থা। এর জন্য রয়েছে ‘ট্রাসেস’ পোর্টাল। তিন মাসের টিডিএস বিবরণী দাখিল এবং প্রক্রিয়াকরণ হয়ে গেলে ফর্ম-১৩০ হাতে পাবেন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কর্মী।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement