ছবি: সংগৃহীত।
আইআইটি বোম্বে থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়ার সুযোগ ছিল হাতের মুঠোয়। তা-ও সেই পথে হাঁটতে চান না ওড়িশার মহরুফ আহমেদ খান।
১৮ বছর বয়সী ওই তরুণের দাবি, তিনি আর তাঁর যমজ ভাই একসঙ্গে পড়াশোনা করে পাশ করেছেন। তাই উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হবে না। এক সঙ্গেই পড়াশোনা করবেন তাঁরা। মাত্র দু’মিনিটের ব্যবধানে দু’ভাইয়ের জন্ম।
জেইই অ্যাডভান্সড-এ মহরুফ আহমেদ খানের অল ইন্ডিয়া র্যাঙ্ক ৩২, তাঁর ভাই মসরুর আহমেদ খানের অল ইন্ডিয়া র্যাঙ্ক ১৬৯। মহরুফ আইআইটি বোম্বে-তে সুযোগ পেলেও মসরুরের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ পাওয়া মুশকিল হতে পারে ভেবেই এই সিদ্ধান্ত।
এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে মহরুফ বলেন, “ছোটবেলা থেকে একই ক্লাসরুমে বসে পড়াশোনা করেছি। একসঙ্গে দু’জন জয়েন্ট-এর জন্য খেটেছি। এখন আমি ভাল নম্বর পেয়েছি আলাদা জায়গায় ভর্তি হব, তা হয় না।”
দাদার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মসরুর। তাঁর কথায়, “আমরা একসঙ্গে পড়াশোনা করতে পারলে, একে অপরকে অনেকটা সাহায্য করতে পারব। আমার ব্যাপারটা ভেবেই খুব ভাল লাগছে।” যমজ সন্তানের জন্য খুশিতে আপ্লুত মা বাবা। তাঁরা ছেলেদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কোটায় পাঠিয়েছিলেন। বাবা মনসুর আহমেদ খান আইআইটি ভুবনেশ্বরের ডিসপেন্সরির ইন-চার্জ। মা জিনাত বেগম ওড়িশা পাওয়ার ট্রান্সমিশন কর্পোরেশন লিমিটেড অধীনস্থ হাসপাতালের চিকিৎসক ছিলেন। ছেলেদের পড়াশোনার জন্য তিনি চাকরি ছেড়ে কোটায় পাড়ি দিয়েছিলেন।
মহরুফের আশা, প্রাপ্ত নম্বরের বিচারে দু’জনেই আইআইটি মাদ্রাজে কম্পিউটার সায়েন্স ভর্তি হতে পারবেন। তবে সবটাই নির্ভর করছে জয়েন্ট সিট অ্যালোকেশন অথরিটি (জোসা) কাউন্সেলিং-এর উপর।