— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
পড়াশোনার জন্য বহু ভারতীয়ই পাড়ি দেন বিদেশে। আমেরিকা, কানাডার পাশাপাশি, উচ্চশিক্ষার জন্য ব্রিটেনকেও বেছে নেন অনেকে। কিন্তু সকলেই ভিসার অনুমোদন পান না। ২০২৫-এ ব্রিটেন সরকার ৯৫,২৩১ জন ভারতীয় পড়ুয়াকে নতুন ভিসার অনুমোদন দিয়েছে। ভিসাপ্রাপ্ত বিদেশি পড়ুয়াদের যে তালিকা ব্রিটেন প্রকাশ করেছে, তার শীর্ষে রয়েছে ভারত। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চিন। সে দেশের ৮৯,০১৯ জন পড়ুয়াকে নতুন ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ২০২৫-এ।
তবে শুধু নতুন ভিসাই নয়। স্নাতক হওয়ার পর সেখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চান অনেকে। তাঁদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হয় শর্তসাপেক্ষে। ২০২৫-এ এমন ৯০,১৫৩ জন ভারতীয় পড়ুয়ার পুরনো ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ওই বিভাগের অধীনে ৪২,২২০ জন নাইজেরিয়ার পড়ুয়া এবং ৩০,৪৬৪ জন পাকিস্তানের পড়ুয়াকেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তবে, শুধু পড়ুয়ারাই নন, জীবিকার সন্ধানে যা যাঁরা ব্রিটেন যেতে চান, তাঁরাও আলাদা করে ভিসার আবেদন করে থাকনে। ব্রিটেন প্রশাসনের হিসাব বলছে ২০২৫-এ এই তালিকার শীর্ষেও রয়েছে ভারত। দক্ষ কর্মী হিসাবে ব্রিটেনে থেকে কাজের অনুমোদন পেয়েছেন ৯০,০৩১ জন। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী হিসাবে কাজ করার অনুমতি পেয়েছেন ১,০৪,৫৫৫ জন ভারতীয়।
পরিসংখ্যান বলছে, ভিসাপ্রাপ্তদের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে ভারতের নাম। তার পরই পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, জ়িম্বাবোয়ে-এর মতো দেশের নাম রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রিটেনে ভারতীয় পড়ুয়াদের সংখ্যা ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও চিনের পড়ুয়াদের সংখ্যা ৭ শতাংশ কমেছে।