ছবি: সংগৃহীত।
জাদুঘরে লুকিয়ে পৃথিবীর ইতিহাস এবং সংস্কৃতি। অনেক অজানা কাহিনির সাক্ষী দেশ বিদেশের বিভিন্ন সংগ্রহশালা। এই সমস্ত জায়গায় বিশেষ পদ্ধতিতে বিভিন্ন ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে কাঠ, পাথর কিংবা লোহার মডেল তৈরি করা হয়। বিশেষ রাসায়নিক এবং প্রযুক্তির সংমিশ্রণে ছবি, তৈলচিত্র, দুষ্প্রাপ্য নথি সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে। এই ধরনের কাজ শেখার সুযোগ দেবে নয়া দিল্লির ন্যাশনাল মিউজ়িয়াম।
এ ছাড়াও প্রত্নখননে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী, যেমন মুদ্রা, ছবি, বিভিন্ন ধরনের স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ নিয়ে কী ভাবে গবেষণার কাজ করতে হবে। এই প্রশিক্ষণটি স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়ারা পাবেন। নৃতত্ত্ব, ইতিহাস, পুরাতত্ত্ব, মিউজিয়োলজি, বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ়, আর্ট হিস্ট্রি, ফাইন আর্টস, ফ্যাব্রিক অ্যান্ড অ্যাপারেল সায়েন্স-র মতো বিষয়ে পাঠরতদের এই ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
যে কোনও সংগ্রহশালায় এই সমস্ত সামগ্রী প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়। বিভিন্ন বিভাগের অধীনে কোন সামগ্রী কী ভাবে সাজাতে হয়, তা জাদুঘরের বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ মিলবে। মে, জুন এবং জুলাই মাসে ওই প্রশিক্ষণ চলবে। মোট ২০ জনকে নিয়ে ক্লাস চলবে।
আগ্রহী কোন বিভাগের অধীনে কী শিখতে চান, তার বিশদ ব্যাখ্যা লিখে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। এ ছাড়াও আবেদনের সঙ্গে পড়ুয়াদের কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিপত্রও পাঠানো আবশ্যক। আবেদন ১৮ মার্চের মধ্যে পাঠানো প্রয়োজন। প্রার্থীদের আবেদনপত্র যাচাই করার পর নয়া দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হবে। সেখানে থেকেই প্রশিক্ষণ চলবে। তবে, এই প্রশিক্ষণ চলাকালীন যোগদানকারীদের কোনও ভাতা দেওয়া হবে না।