প্রতীকী চিত্র।
সকলেই চাকরি পেয়েছিলেন ২০১৬ এসএসসি নিয়োগে। কিন্তু সেই নিয়োগের নেপথ্যে ছিল প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি। হিসাব বলছে, কেউ ওএমআর শিট-এ যা লিখেছিলেন তা যথার্থ নয়। কেউ পূর্ববর্তী যোগ্য প্রার্থীকে পিছনে ফেলে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে পেয়েছিলেন চাকরি। আবার অনেকের নাম ছিলই না প্যানেলে। অথচ, দিব্যি চাকরি করছিলেন গত এক দশক। গত এপ্রিলে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি গিয়েছিল প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর। তাঁদের মধ্যে ছিলেন এই ‘দাগি’ বা চিহ্নিত অযোগ্য প্রার্থীরাও।
বুধবার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে নতুন করে ‘দাগি’ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। সেখানে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে কোন প্রার্থীর ক্ষেত্রে কী ধরনের দুর্নীতি রয়েছে। ওই প্রার্থীদের নাম, পিতার নাম, ঠিকানার পাশাপাশি লেখা রয়েছে অসঙ্গতির ধরনও।
এসএসসি-র দাবি, মোট ‘দাগি’ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী রয়েছেন ৫৩১৮ জন। এঁদের মধ্যে শিক্ষক ১৮০৬ জন— নবম-দশমের শিক্ষক ৯৯৭ জন এবং একাদশ-দ্বাদশের ৮০৯ জন। ওএমআরশিট ‘মিস ম্যাচ’ বা অসঙ্গতি রয়েছে ১৫৭৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার। প্যানেলে নাম ছিল না অথচ, পূর্ববর্তী যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে চাকরি নিয়েছেন মোট ২২৪ জন।
অন্য দিকে, গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি কর্মীদের মধ্যে ‘দাগি’ ৩৫১২ জন। এর মধ্যে গ্রুপ-সি ১১৬৩ এবং গ্রুপ-ডি ২৩৪৯ জন। তাঁদের ২৫২৩ জনের ওএমআর শিট-এ অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। প্যানেলের বাইরে থেকে পূর্ববর্তী প্রার্থীকে বঞ্চিত করে চাকরি পেয়েছিলেন ৯৮৯ জন।