Adhir Chowdhury

অধীরের হাত ধরে মুর্শিদাবাদে তৃণমূল ছাড়লেন একাধিক নেতা, শতাধিক কর্মী! কোনও প্রভাব পড়বে না, বলল শাসকদল

জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্য মোস্তফা কামাল। তাঁর সঙ্গে দলবদল করেছেন রানিনগরের পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দিলশাদ হোসেনও।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৮:৩৪
Share:

অধীর চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগদান। —নিজস্ব ছবি।

ভোটের মুখে মুর্শিদাবাদে তৃণমূলে ভাঙন। অধীর চৌধুরীর হাত ধরে শাসকদলের একাধিক নেতা এবং শতাধিক কর্মী যোগ দিলেন কংগ্রেসে। যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব একে ভাঙন বলতে নারাজ। তাদের দাবি, যাঁরা কংগ্রেসে যোগদান করেছেন, তাঁরা অনেক আগে থেকে তৃণমূলে নিষ্ক্রিয়।

Advertisement

মঙ্গলবার জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্য মোস্তফা কামাল। তাঁর সঙ্গে দলবদল করেছেন রানিনগরের পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দিলশাদ হোসেন থেকে ওই পঞ্চায়েতের ১৪ জন সদস্য।

তৃণমূলত্যাগী ওই রাজনীতিকদের নিশানায় মূলত রানিনগরের বিদায়ী বিধায়ক তথা আগামী বিধানসভা ভোটের তৃণমূল প্রার্থী আব্দুল সৌমিক হোসেন। পাহাড়পুরের পঞ্চায়েত প্রধান দিলশাদ হোসেনের অভিযোগ, “দলে কাজের কোনও স্বাধীনতা ছিল না। বিধায়কের মর্জিমতো সব কিছু করতে হত। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কাজ হয়নি।’’ ওই তৃণমূলত্যাগী নেতাদের হাতে তাঁর দলের পতাকা তুলে দিয়ে শাসকদলকে কটাক্ষ করেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর। অধীর-সুলভ ভঙ্গিতে তিনি বলেন, “তৃণমূলকে এ বার মুর্শিদাবাদ থেকে খেদিয়ে ছাড়ব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে তৃণমূল মুর্শিদাবাদে শক্তিশালী হয়েছিল। এ বার ‘ঘরওয়াপসি’ শুরু হল। এই প্রত্যাবর্তনেই মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের ভিত মজবুত হবে।”

Advertisement

রানিনগরের তৃণমূল প্রার্থী সৌমিক পাত্তা না-দেওয়ার সুরে বলেন, “মানুষ আর কারও মুখ দেখে নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন দেখেই ভোট দেন। রানিনগরে গত কয়েক বছরে কী কাজ হয়েছে, তা সকলেই জানেন। দু’-চার জন নেতার দলত্যাগে ভোটের ফলে বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়বে না।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement