(বাঁ দিকে) আদিত্য চোপড়া, (ডান ডিকে) তানিশা মুখোপাধ্য়ায়। ছবি: সংগৃহীত।
মা তনুজা এবং দিদি কাজল। ২০০৩ সালে তনিশাও অভিনয়জগতে পা রেখেছিলেন। যদিও অভিনেত্রী হিসাবে দর্শকমনে বিশেষ দাগ কাটতে পারেননি। এমনিতে বরাবরই স্বাস্থ্য সচেতন তিনি। অথচ ‘নীল অ্যান নিক্কী’ ছবির শুটিং শেষ হওয়ার পরেই হঠাৎ অস্বাভাবিক ভাবে ওজন বাড়তে শুরু করে অভিনেত্রীর। এর নেপথ্যে নাকি রয়েছেন তনিশার তুতো-জামাইবাবু আদিত্য চোপড়া! তাঁর কথা শুনেই নাকি শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঘাঁটে তনিশার।
আদিত্য প্রযোজিত ‘নীল অ্যান নিক্কী’ ছবিটি মুক্তি পায় ২০০৫ সালে। এই ছবির মুক্তির সময়ে তনিশার সাহসী পোশাক পরা নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়। ছবিতে তনিশার বিপরীতে অভিনয় করেন উদয় চোপড়া। সেই সময়ে তাঁদের প্রেমের গুঞ্জনও শোনা যায়। এই ছবিতে কাজ করার আগে নাকি তনিশাকে দেখামাত্রই আদিত্য তাঁকে এক বিশেষ পরামর্শ দেন। তনিশার ‘লভ হ্যান্ডেল’ অর্থাৎ কোমরের কাছের মেদ ঝরিয়ে তন্বী হওয়ার উপদেশ দেন। তনিশার কথায়, ‘‘আমাকে দেখামাত্রই আদি বলেন, ‘আমার এমন একজন নিক্কী চাই, যার চেহারায় কোনও মেদ থাকবে না। এই কোমরের কাছের মেদ তোমাকে কমাতেই হবে।’ তার আগেও আদিত্য আমাকে কেরিয়ার নিয়ে বহু উপদেশ দিয়েছিল, যা আমি শুনিনি। কিন্তু, সেই সময়ে আমি বিপুল পরিশ্রম করে ওজন কমিয়ে ফেলি। ওজন ঝরানোর পরে আমাকে দেখামাত্রই আদি বলেছিল, ‘এই আমার নিক্কী।’ যদিও এর জন্য আমার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঘেঁটে যায়।’’ এই ছবির পরেই সেই কারণে হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি পেতে থাকে তনিশার। এর পরে বহু বছর ধরে শরীরচর্চা ও নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের পরে তিনি ওজন নিয়ন্ত্রণে আনেন।