ময়দার বদলে সুজি খাওয়া কতটা স্বাস্থ্যকর? ছবি: এআই।
ময়দা খাওয়া মোটেই ভাল নয়, খেলেই ওজন বাড়ে চটজলদি। তাই স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের জলখাবারে ময়দার লুচি, পরোটার বিকল্পে জায়গা করে নেয় সুজির উপমা, চিলা বা ইডলি। তবে জলখাবারে সুজির তৈরি রকমারি খাবার কি আদৌ ওজন ঝরাতে সাহায্য করে?
পুষ্টিবিদদের মতে, ময়দার সঙ্গে সুজির খুব বেশি তফাৎ নেই। সুজির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স প্রায় ৬৬ আর ময়দার ৭০ থেকে ৯০ এর মধ্যে। ওজন কমানোর ডায়েটে সব সময়েই কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের খাবার রাখতে বলেন পুষ্টিবিদেরা। কারণ, তাতে সুগার স্পাইক অর্থাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ অনেকটা বেড়ে যায় না। সুগার স্পাইক হলে মিষ্টি এবং ভাজাভুজি খাওয়ার ইচ্ছে বেড়ে যায়। বেশি খেয়ে ফেলার ঝুঁকি বাড়ে। তা থেকে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনাও তৈরি হয়। তাই ওজন কমাতে হলে সুজি বেশি না খাওয়াই ভাল।
ডুরম নামের এক ধরনের গমকে ভাঙিয়ে তা থেকে সুজি তৈরি হয়। এতে ফাইবারের মাত্রা প্রায় থাকে না বললেই চলে। যেহেতু সুজি ভাঙানোর সময় ভুষি এবং গমের অঙ্কুরোদ্গমের অংশটি বাদ দেওয়া হয়, তাই এর পুষ্টিগুণও কিছুটা কম।
সুজি কি ময়দার মতোই অস্বাস্থ্যকর?
পুষ্টিবিদের মতে, সুজি ময়দার মতো শরীরের ক্ষতি না করলেও, এটিকে খুব স্বাস্থ্যকর খাবারের বিকল্পও বলা যায় না। ময়দার তুলনায়, সুজি কম পরিশোধিত হয়। যখন শাকসব্জি, ডাল বা স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের মিশেলে সুজি রান্না করা হয়, তখন তার পুষ্টিগুণ বাড়ে। উপমা বা ইডলির মতো রান্নায় সুজিকে স্বাস্থ্যকর হিসেবে পরিবেশন করা হয়। কারণ এতে সুজির সঙ্গে সব্জি আর ডালও দেওয়া হয়। তবে রোজ রোজ সুজি খাওয়াও ঠিক নয়।