মূল্যবান ৫টি চা। ছবি: সংগৃহীত।
রোজের পানীয়। শরীরের ক্লান্তি দূর করে নিমেষে। পুষ্টিগুণে ভরা। তবে এই সমস্ত গুণের চেয়েও যে বিষয়টি চায়ের সঙ্গে বেশি জড়িত, তা হল, আবেগ। এক কাপ চায়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অজস্র অনুভূতি। কারও বাড়িতে কেবল চা পাতা হলেই হল। কেউ আবার সঙ্গে খানিক দুধ আর চিনিও যোগ করেন। কিন্তু হেঁশেলে যে ধরনের চা সাধারণত জমানো থাকে, তার বাইরেও এমন কিছু চা পাতা আছে, যা মধ্যবিত্তদের ধরাছোঁয়ার বাইরে। উচ্চবিত্তদের কাছেও সেই চা পাতা অত সহজ নয়। আকাশছোঁয়া দাম, তায় আবার সহজলভ্য নয়। তবে আপনি যদি চা-প্রেমী হন, তবে এই চাগুলির নাম জানতে আগ্রহী হবেন। সঙ্গে দামও।
দা হং পাও: চিনের ফুজিয়ান প্রদেশের উয়ি পর্বতের প্রাচীন গাছ থেকে উৎপাদিত এই চা। ওজন করলে তা সোনার চেয়েও দামি। অর্কিডের সুবাসযুক্ত এই চা চিনের জাতীয় সম্পদের তকমা পেয়েছে। এক কালে কেবল সম্রাটদেরই এই চা পরিবেশন করা হত। এই চা গাছের প্রাচীন গাছটি প্রায় ৩৫০ বছরের পুরোনো। এই চায়ের দাম প্রতি কেজি প্রায় ১১ কোটি টাকা।
দা হং পাও। ছবি: সংগৃহীত।
পান্ডা ডাং চা: এই চা-ও চিনের সম্পদ। এই চা গাছে পান্ডার মলের সার দেওয়া হয়। আর তাই এর নামে রয়েছে ‘পান্ডা ডাং’, অর্থাৎ পাণ্ডার মল। দক্ষিণ-পশ্চিম চিনের এক প্রদেশ, সিচুয়ানে এই চা পাওয়া যায়। এটি এক ধরনের গ্রিন টি। প্রতি কেজির দাম প্রায় ৫৯ লক্ষ টাকা।
পান্ডা ডাং চা। ছবি: সংগৃহীত।
ভিন্টেজ নার্সিসাস উলং: চিনের ফুজিয়ান প্রদেশের উয়ি পাহাড়ের দুর্লভ ও মূল্যবান গাঢ় রোস্টেড উলং চা এটি। এটি বহু বছর ধরে সংরক্ষিত থাকে। বার বার বেক করা হয়। তার ফলেই এর গাঢ় অ্যাম্বার রংটি ধরে। প্রতি কেজির দাম প্রায় ৬ লক্ষ টাকা।
ভিন্টেজ নার্সিসাস উলং। ছবি: সংগৃহীত।
ইয়েলো গোল্ড টি বাডস: বিশ্বের অন্যতম বিরল ও বিলাসবহুল চা। সোনার কাঁচি দিয়ে এই চা পাতা সংগ্রহ করা হয়। তার উপর ২৪-ক্যারেট সোনার গুঁড়ো দিয়ে প্রলেপ দেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরের টিডব্লিউজি সংস্থা এই চা বিক্রি করে। প্রতি কেজির দাম প্রায় ৩ লক্ষ টাকা।
ইয়েলো গোল্ড টি বাডস। ছবি: সংগৃহীত।
সিলভার নিডল হোয়াইট টি: এই চা বাইহাও ইয়িনজ়েন নামেও পরিচিত। চিনের ফুজিয়ান প্রদেশের অত্যন্ত মূল্যবান এবং উৎকৃষ্ট মানের সাদা চা। কেবল বসন্তের শুরুতে সংগৃহীত হয় এই চায়ের কুঁড়ি। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর এই চায়ে ক্যাফিনের পরিমাণ কম থাকে। প্রতি কেজি চায়ের দাম প্রায় ১ লক্ষ টাকারও বেশি।
সিলভার নিডল হোয়াইট টি। ছবি: সংগৃহীত।