ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
অনেক মানুষই থাকেন শত চেষ্টাতেও যাঁরা রাগের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না। রাগের মাথায় দুর্ব্যবহার করে ফেলেন উল্টো দিকের মানুষটির প্রতি। কারও কারও ক্ষেত্রে আবার দেখা যায় রাগের মাথায় জিনিসপত্র ভাঙচুর করছেন। এই সব কারণেই সব সময় মাথা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করতে হয়। কেননা এর ফল হতে পারে মারাত্মক। প্রায় সব মানুষই রাগ বশে রাখতে চান। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে চান। তবে অনেক সময়ই সেই কাজে বিফল হন। জ্যোতিষশাস্ত্রবিদেরা বলছেন, এর জন্য দায়ী দুষ্ট গ্রহের কারসাজি।
জ্যোতির্বিজ্ঞান মতে, রাহু একটি গাণিতিক বিন্দু বা নোডমাত্র। তবে, এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্রে। কোনও ব্যক্তি যদি এই গ্রহটির অশুভ দৃষ্টিপাতের কবলে পড়েন, তবে সে ব্যক্তির নিজেকে বশে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র। রাহু নিয়ন্ত্রিত রাগের প্রকার কেমন হয় সে বিষয়ে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদেরা। কারও প্রতি যদি কুনজর দেয় ছায়াগ্রহটি, তার ফলে সেই ব্যক্তির আচরণে কী কী পরিবর্তন আসবে বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র?
জ্যোতিষমতে, যাঁদের কারণে-অকারণে কুপিত হওয়ার জন্য দায়ী থাকে ছায়াগ্রহ রাহু, তাঁদের রাগ থাকে সুপ্ত। এঁরা সরাসরি আঘাত করেন না। এঁরা যে রেগে আছেন, তা চট করে আঁচ করাও যায় না। এঁরা রাগ পুষে রেখে দেন। সব দিক ভেবেচিন্তে, হিসাব কষে তার পরে এঁরা পদক্ষেপ করেন। আর সরাসরি সংঘাতের পরিবর্তে কূটকৌশল ও ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিতেই বেশি পছন্দ করে।
রাহুর প্রভাবে প্রভাবিত ব্যক্তিরা স্বভাবত অস্থির হন বলে বলা হয়ে থাকে। রাগ প্রচ্ছন্ন থাকার কারণেই, তাঁরা যখন আঘাত হানেন তখন উল্টো দিকের মানুষটির ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত থাকে। কিন্তু এটি তাঁরা করে থাকেন প্রতিশোধস্পৃহার কারণেই। রাগের বশে অনেক সময় জিনিসপত্র ভাঙতেও দেখা যায় এঁদের।
সবচেয়ে খারাপ দিক হল এই ধরনের মানুষেরা খুব একগুঁয়ে এবং জেদি হন বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষবিদেরা। এঁদের মধ্যে ভুল স্বীকার করার মানসিকতা একেবারেই থাকে না বলে মনে করা হয়। এঁরা যখন রেগে ওঠেন, তখন যদি কেউ বোঝাতেও যান, তবে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা রয়ে যেতে পারে।