জ্যোতিষশাস্ত্রে
তামার গুরুত্ব অপরিসীম। এটি কেবল একটি ধাতু নয়, বরং আধ্যাত্মিক শক্তির ধারক হিসাবে বিবেচিত হয়। তামা
ধারণ করলে মানুষের মনের ভয় দূর হয় এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় বলে প্রচলিত বিশ্বাস।
কারণ, তামা নেতিবাচক শক্তি শোষণ করতে পারে বলে মনে করা হয়। এটি অশুভ নজর থেকে
রক্ষা পেতে সাহায্য করে। সামাজিক মর্যাদা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বৃদ্ধিতে তামার আংটি
বা বালা বিশেষ কার্যকরী বলে জানিয়ে থাকেন জ্যোতিষবিদেরা।
তবে সকলের ক্ষেত্রেই
যে এই ধাতু শুভ, তা নয় বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র। ৪টি রাশির জাতক-জাতিকাকে
এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়ে থাকে। সেগুলি হল—
-
মিথুন: মিথুন রাশির অধিপতি গ্রহ বুধ। তাই
এই রাশির মানুষদের মধ্যে চিন্তার স্বচ্ছতা দেখা যায়। তামার গয়না পরলে তাঁদের
মধ্যেকার সহজ ভাবে ভাবনার ক্ষমতা কোনও ভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে
জ্যোতিষশাস্ত্র।
-
কন্যা: জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, একই কথা
প্রযোজ্য কন্যা রাশির ক্ষেত্রেও। তামার গয়না এই রাশির জাতক-জাতিকাদের পরা ঠিক নয়
বলে প্রচলিত বিশ্বাস। এর ফলে অকারণ উদ্বেগ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার অভাব ইত্যাদি
সমস্যা দেখা দিতে পারে।
-
তুলা: এই ধাতুর
প্রভাব তুলা রাশিকে বার বার অস্থির করে তোলে বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। শান্ত মাথায়
সামলানো উচিত, এমন পরিস্থিতিতেও ধৈর্য হারিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়ে যায়। জীবনযাত্রা ভারসাম্যপূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও বিশ্বাস।
-
কুম্ভ: পেশাগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে
কুম্ভের জাতক-জাতিকাদের বিভ্রান্ত করে তুলতে পারে তামার গয়না। আর্থিক বিষয়গুলিতেও
হঠাৎ বাধার সম্মুখীন হওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষবিদেরা।