স্কুলে পড়াশোনা করছে ছাত্রীরা। ছবি সংগৃহীত।
নতুন বিষয় শেখার আশায় স্কুলে যাচ্ছে ছোট ছোট শিশুরা। সিলেবাসের গুঁতোয় একের পর এক বিষয় শিশুদের সামনে তুলে ধরছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কিন্তু এই সবের মধ্যে কোনও বিষয় কতটা নির্ভুল ভাবে শিখতে পারছে শিশুরা? অ্যানুয়াল স্টেটাস অব এডুকেশন রিপোর্ট (এসার) ২০১৮-র রিপোর্ট সামনে আসতেই উঁকি মারছে এ রকম অনেক প্রশ্নই।
সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী ছাত্রদের অর্ধেকই নির্ভুলভাবে ভাগ করতে পারে না। ছাত্রীদের মধ্যে সঠিকভাবে ভাগ করতে পারার অবস্থা আরও শোচনীয়। ওই বয়সের মাত্র ৪৬ শতাংশ ছাত্রী সঠিকভাবে ভাগ করতে পারে। রিপোর্ট অনুসারে বাকি ৫৬ শতাংশ ভাগও জানে না।
দেশের সরকারি স্কুলগুলিতে পড়া ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার মান যাচাইয়ের জন্য এই সমীক্ষা করা হয়। ‘প্রথম’ নামের একটি এনজিও সংস্থা সারা দেশ জুড়ে এই সমীক্ষাটি করেছে। সারা দেশের ৫৯৬টি জেলার ৩ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৪৪টি বাড়ি এবং ৩ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে থাকা ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫২৭ জন ছাত্রছাত্রীর উপর সমীক্ষাটি চালানো হয়েছে।
এই সমীক্ষা চালানোর সময় তিনটি বিষয়েলক্ষ্য রাখা হয়। স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের এনরোলমেন্ট ও উপস্থিতি। ছাত্রছাত্রীদের প্রাথমিক অঙ্ক করার ও পড়তে পারার ক্ষমতা। এছাড়া স্কুলে সুযোগসুবিধা, খেলার ব্যবস্থাও বিচার করে দেখা হয় সমীক্ষার সময়।
আরও পড়ুন: ১৩ কিমি রাস্তা উদ্বোধনে সাড়ে তিন হাজার কিমি পথ পাড়ি! টুইটারে ট্রোলড মোদী
অঙ্কের পাশাপাশি পড়তে পারারহালও বেশ করুণ। অষ্টম শ্রেণিতে পড়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠ্যবই ঠিক ভাবে পড়তে পারে। বাকি ২৭ শতাংশ দ্বিতীয় শ্রেণির বইও পড়তে পারে না।
এসার ২০১৮-র রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রাথমিক স্তরে বিষয়টি আরও শোচনীয়। সরকারি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়া ৮০ শতাংশ ছাত্রছাত্রীর সহজ ভাগের অঙ্কে সমস্যা আছে। তবে শুধু অঙ্কেই নয়, পাঠ্য বই পড়ার ক্ষেত্রেও তাদেরসমস্যা রয়েছে।
রিপোর্ট বলছে, উচ্চশিক্ষায় তরতর করে এগোলেও প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে ছেলেদের থেকে এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে মেয়েরা।
আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা, রথযাত্রায় ছাড় পেল না বিজেপি
(কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, গুজরাত থেকে মণিপুর - দেশের সব রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে আমাদেরদেশবিভাগে ক্লিক করুন।)