Self-styled godman

ঘরে ‘পবিত্র আত্মা’ আছে! সাহায্য নিতেন অ্যাপেরও! কী ভাবে আস্থা অর্জন করতেন মার্চেন্ট নেভি অফিসার থেকে ক্যাপ্টেন হয়ে ওঠা ‘বাবা’

৫৮ মহিলার যৌন হেনস্থা এবং এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন মহারাষ্ট্রের নাসিকের স্বঘোষিত ‘বাবা’। তাঁর গ্রেফতারির পর থেকেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৬ ১৫:১৫
Share:

—প্রতীকী ছবি।

ঘরে ‘পবিত্র আত্মা’ আছে। সে-ই সব ঠিক করে দেবে। তার পর বিভিন্ন অ্যাপের সাহায্যে নিজের আওয়াজকে বদলে দিতেন। সেই ঘরে কারও প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। তার পর ‘দৈববাণী’ বলে নিজের কথাকে চালিয়ে দিয়ে সকলের আস্থা অর্জন করতেন। এর পর শুরু হত ক্যাপ্টেনের আসল কর্মকাণ্ড।

Advertisement

৫৮ মহিলার যৌন হেনস্থা এবং এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন মহারাষ্ট্রের নাসিকের স্বঘোষিত ‘বাবা’। তাঁর গ্রেফতারির পর থেকেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। নির্যাতিতাদের দাবি, প্রথমে পরিবার সম্পর্কে জানতে চাইতেন। তার পর সমস্যার কথা। সেই সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার নামে মহিলাদের প্রথমে আপত্তিজনক ভাবে ছোঁয়ার চেষ্টা করতেন। কেউ আপত্তি জানালে পরিবারের ক্ষতি হয়ে যাবে, এই ভয় দেখাতেন। বলতেন, তাঁর মধ্যে এমন ‘দৈবিক’ শক্তি আছে যা দিয়ে তিনি যেমন সমস্যা সমাধান করতে পারেন, তেমনি আবার সমস্যায়ও ফেলতে পারেন। এ রকম নানা হুমকি দিয়ে মহিলাদের সঙ্গে ক্যাপ্টেন অশ্লীল আচরণ করতেন বলে অভিযোগ। যার নাম দিয়েছিলেন, ‘হিলিং টাচ’।

অভিযোগ, নিজের ঘরে মহিলাদের ডেকে নিতেন ক্যাপ্টেন। তাঁর সঙ্গে আসা আত্মীয়দের বাইরেই অপেক্ষা করতে বলতেন। তার পর ‘পবিত্র জল’ খাওয়ানো হত। সেই জল খাওয়ার পরেই মহিলারা ঘোরের মধ্যে চলে যেতেন। তার পর তাঁদের যৌন হেনস্থা করা হত। সব কিছু রেকর্ড করা হত গোপন ক্যামেরায়। যজ্ঞ, পূজার্চনার নামে দফায় দফায় টাকা আদায় করতেন ক্যাপ্টেন।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, ক্যাপ্টেনের ২০০ কোটি টাকার সম্পত্তির হদিস মিলেছে। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি জায়গায় বিপুল পরিমাণ জমিরও খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। কী ভাবে মার্চেন্ট নেভি অফিসার থেকে স্বঘোষিত ‘বাবা’ হয়ে উঠলেন নাসিকের ক্যাপ্টেন (নিজেকে এই নামেই পরিচয় দিতেন), তার তদন্ত করছে পুলিশ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement