প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবি: সংগৃহীত।
ইরান যুদ্ধের আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবার তাঁর মন্ত্রিসভাকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। প্রথমত, প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তির কারণে সম্ভাব্য জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তৃতীয়ত, ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে অবিচল থাকতে হবে।
ছ’দিনে পাঁচ দেশ সফরের পরে ভারতে ফিরে বৃহস্পতিবার প্রথম বার মন্ত্রিসভার মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদী। ঘটনাচক্রে, ২০২৬ সালে এই প্রথম পূর্ণমন্ত্রীর পাশাপাশি স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করলেন তিনি। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলে মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেখানেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন মোদী। সেই সঙ্গে দিয়েছেন, অদূর ভবিষ্যতের সম্ভাব্য পরিস্থিতি এবং ‘করণীয়’ সংক্রান্ত দিশানির্দেশ।
সরকারের একটি সূত্র জানাচ্ছে, আমেরিকা-ইরান এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে তৈরি হওয়া জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় বিকল্প শক্তির উৎস খোঁজা এবং আগামী ১০ জুন মোদী-৩ সরকারের বর্ষপূর্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। বায়োগ্যাস এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য বিকল্প শক্তির উৎসের সন্ধানের উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি, মন্ত্রীদের মোদী নির্দেশ দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই যেন সরকারি ফাইল ‘অপ্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া’য় আটকে না থাকে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে অর্থনীতিতে গতি আনার প্রয়োজন মনে করিয়ে দিয়ে বলেছেন, তাঁর সরকার দেশের স্বাধীনতার শতবর্ষ ২০৪৭-এ ‘বিকশিত ভারত’ বা উন্নত রাষ্ট্রের তালিকায় ভারতকে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যের কথা বলেছে। এটা নিছক স্লোগান নয়, প্রতিশ্রুতি।