মটনের টুকরো নরম হবে কী ভাবে? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
কেবল রবিবার কেন, বাঙালির বা়ড়িতে যে কোনও অজুহাতেই পাঁঠার মাংস আসে বাজার থেকে। আলু দিয়ে লাল-ঝাল মাংসের ঝোল আর গরম ভাত কব্জি ডুবিয়ে খাওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে মন। কিন্তু কষিয়ে রাঁধার পরেও যদি মাংস শক্ত, রবারের মতো হয়ে থাকে বা চিবোতে কষ্ট হয়, তা হলে পুরো আনন্দটাই মাটি। পেশাদার রাঁধুনিদের মতে, নরম, রসালো এবং মুখে দিলেই গলে যায়, এমন মটন তৈরির রহস্য লুকিয়ে রয়েছে কয়েকটি ছোট কৌশলের মধ্যে।
নরম নরম মটন রাঁধার ৫ কৌশল
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি রিলে চেন্নাইয়ের পেশাদার রাঁধুনি মহম্মদ হোসেন ৫টি রন্ধনকৌশল বাতলে দিলেন। এগুলি প্রয়োগ করলে মটনের টুকরো খুব সুন্দর ভাবে সেদ্ধ হয়ে যাবে।
ম্যারিনেশন থেকে রান্নার শেষ পর্যন্ত কৌশল মেনে চলতে হবে। ছবি: সংগৃহীত
১. উষ্ণ জল
পাঁঠার মাংসের রান্নায় জল দেওয়ার সময়ে যদি স্বাভাবিক তাপমাত্রার জল যোগ করেন, তাতে মাংসের টুকরোগুলি ছিবড়ে ছি়বড়ে হয়ে থাকবে। মাংস যাতে নরম হয়, তার জন্য অবশ্যই গরম জল যোগ করতে হবে কড়াইয়ে। রান্নাও তা়ড়াতাড়ি শেষ হবে।
২. পেঁপের পেস্ট
মটন ম্যারিনেট করার সময়ে অল্প কাঁচা পেঁপের পেস্ট মিশিয়ে দিতে হবে। রাঁধুনির মতে, পেঁপে মেশানোর সঙ্গে সঙ্গে তার এনজ়াইমগুলি মাংসের অতিরিক্ত ফাইবার বার করে দেয়, ফলে মাংস নরম হয়ে যায়।
৩. ‘ধীরে চলো’ নীতি
আঁচ বাড়িয়ে সিটির পর সিটি বার করে দিলেই রান্না হয়ে যায় না। তাতে সুস্বাদু ঝোল হলেও মাংস খেয়ে তৃপ্তি হবে না। তার চেয়ে বরং গ্যাস ঢিমে আঁচে রেখে ৩-৪টি সিটি দিলেই হবে। এতে মাংস রসালো হয়।
৪. নারকেলের খোল
রান্না করতে করতে যদি দেখেন মাংসের টুকরো শক্ত হয়ে আছে, তা হলে ঝোলের মধ্যে নারকেলের এক টুকরো খোল ফেলে দিতে হবে। এর ফলে সেদ্ধ হয়ে নরম হয়ে যাবে মাংস।
৫. ঢাকনা খোলার সময়
প্রেশার কুকার হোক বা কড়াই, আঁচ বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকনা খুলবেন না। খানিক ক্ষণ থাকতে দিন। বাষ্পের সংস্পর্শে মাংস আরও খানিকটা নরম হয় সেই সময়ে। তাই সময়টি দিতে হবে।