বসন্তে ত্বকের সর্বনাশ কেন হয়? ছবি: সংগৃহীত।
ঋতুবদলে শারীরিক পরিবর্তন খুব স্বাভাবিক। বসন্তেও তাই নানা ধরনের রোগভোগের সমস্যা তৈরি হয়। তবে বদল কেবল শরীরে নয়, ত্বকেও লক্ষ করা যায়। প্রেমের ঋতু, রঙের ঋতু হলেও ত্বকের জন্য তা আদপেও সুখকর নয়। কারও কারও জন্য বছরের এই সময়টি বেশ কষ্টকর। হঠাৎ লালচে ভাব, চুলকানি, ব্রণ বা অ্যালার্জির সমস্যা শুরু হয় এ সময়ে। ঋতু পরিবর্তনের সময় শরীরের ভিতরের প্রতিক্রিয়াই এর মূল কারণ।
কেন বসন্তকালে ত্বক বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে—
১. তাপমাত্রার পরিবর্তন: মার্চ-এপ্রিলে শীতের বিদায় ও বসন্তের আগমন। এই সময়ে তাপমাত্রা ও বাতাসের আর্দ্রতা দ্রুত বদলায়। ফলে ত্বকের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে। লালচে ভাব বা ব্রণর সমস্যা দেখা দিতে পারে এই সময়ে।
২. বাতাসে পরাগের পরিমাণ বৃদ্ধি: বসন্তকালেই বাতাসে ফুলের পরাগের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এই পরাগ শরীরে ঢুকলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে। সেখান থেকে ত্বকে প্রদাহের সৃষ্টি হতে পারে।
৩. হিস্টামিনের প্রভাব: পরাগ শরীরে ঢুকলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠার ফলে হিস্টামিন নামের একটি রাসায়নিক নিঃসৃত হয়। এটি রক্তনালিকে প্রসারিত করে এবং প্রদাহ বাড়ায়। এর ফলে ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি, চোখ ফুলে যাওয়া, এগ্জিমা বা ব্রণের সমস্যা বাড়তে পারে।
৪. আর্দ্রতা বৃদ্ধি: বসন্তে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পেতে আর্দ্রতা বাড়তে শুরু করে। এ সময়ে ত্বক বেশি তেল (সেবাম) উৎপাদন করতে থাকে। অতিরিক্ত তেল ও ঘাম জমে রোমকূপ বন্ধ হয়ে গেলে ব্রণ বা ত্বকে জ্বালাপোড়ার সমস্যা বাড়ে।
কোন কোন খাবার খেলে ত্বকের প্রদাহের সমস্যা এবং হিস্টামিনের সমস্যা কমতে পারে?
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও সব্জি
আপেল, পেঁয়াজ ও গ্রিন টি
শাকপাতা ও বিভিন্ন রঙের শাকসব্জি
হলুদ ও আদা
বাদাম ও বীজ
দইয়ের মতো প্রোবায়োটিক খাবার