আবেগে ভেসে ভুল করেন? এ ভাবে শুধরে নিন নিজেকে

আবেগে লাগাম পরালেই কমবে হঠকারীতা। ছবি: শাটারস্টক।

দুমদাম কাজ করে বসেন৷ যা মনে আসে বলে দেন। রাগ হলে মেরে আধমরা করে ফেলেন। খরচের সীমা নেই। যা দেখেন তাই কেনেন। প্রেমে পাগল হয়ে সব ছেড়েছুড়ে তাঁর জন্য অসাধ্যসাধন করেন।

অনেক হয়েছে৷ আর নয়। নিজেও জানেন, এমন নাছোড় আগেবের বশে পড়ে ক্ষতি যা হয়েছে তা বলার নয়৷ তাই মুক্তি চাইছেন এমন অতিরিক্ত আবেগের হাত থেকে৷ কিন্তু জানেন কীভাবে মুক্তি মেলে এ থেকে?

আসুন দেখে নেওয়া যাক, কী বলেন মনোবিদ অমিতাভ মুখোপাধ্যায়৷

আরও পড়ুন

এই ভাবে বসেন নাকি? তা হলে এখনই সাবধান হয়ে যান

যে কোনও কাজের মূলে থাকে আবেগ আর যুক্তি৷ কখনও যুক্তি আগে আসে কখনও আবেগ৷ অধিকাংশ মানুষ কম–বেশি দু’টির মিশেলেই কাজ করেন৷ হঠকারীদের প্রথমে আবেগ আসে, প্রবলভাবে৷ আর আসামাত্র তাঁরা কাজটা করে ফেলেন৷ এরপর যখন যুক্তি আসে, শুরু হয় আফসোস৷ ভেবে দেখুন, আপনারও কি এরকম হয়?

এমন যদি আপনারও হয়, তবে হতাশ হবেন না, আবেগে করা কাজ যে সবসময় খারাপ হয়, তা নয়৷ বহু ভাল কাজই আবেগের বশে করা হয়ে থাকে৷ কিন্তু মুশকিল হল ভাল আবেগের সঙ্গে অনেক সময় খারাপ আবেগও আসে৷ তাকে সামলাতে না পারলে কিছু ভুল হয়৷ ভুল আবেগ সামলাতে না পারার একটা বড় কারণ স্পর্শকাতরতা৷ আপনি হয়তো অল্পেই আঘাত পান৷ এবং ভাবনা–চিন্তা কম করেন বলে আঘাত পাওয়ামাত্র প্রত্যাঘাত করে ফেলেন৷

আবেগকে যুক্তির লাগাম পরাতে না পারলে মুক্তি নেই৷ রাতারাতি পারবেন না৷ কিন্তু একটু ভাবনা–চিন্তা করে কয়েকটি পদক্ষেপ নিলে দেখবেন কাজটা যত কঠিন ভেবেছিলেন, তত কঠিন নয়৷

আরও পড়ুন

বেশির ভাগ সময় এসি-তে থাকেন? এ সব অসুখের শিকার হচ্ছেন না তো?