ছোটখাটো বদলেই সাজিয়ে ফেলুন রান্নাঘর। ছবি: সংগৃহীত।
রান্না করা যত না ঝক্কির, তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন চাল-ডাল-মশলা গুছিয়ে রাখা। শুধু খাবার জিনিস নয়, হাতা-খুন্তি খেকে বাসন, শখে কেনা শৌখিন চা-পাত্র, কফি ফিল্টার— কোথায়, কোনটা রাখলে ব্যবহারের সুবিধে হবে অথচ বেশি জবরজং হবে না হেঁশেল, তা বোঝা সহজ নয়।
তা ছাড়া রান্নাঘরে জিনিস রাখার ঝামেলা হল, নিয়ম করে পরিষ্কার করা। না হলেই সব জিনিস তেলচিটে হয়ে যাবে। আধুনিক কাবার্ড নয়, বরং ছোটখাটো বদলেই সাজিয়ে ফেলা যায় হেঁশেল।
পেজবোর্ড দেওয়াল
রান্নাঘরের দেওয়াল হোক পেজবোর্ডের। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
অসংখ্য ছিদ্র যুক্ত এই বোর্ডটি হেঁশেলের একটি দেওয়ালে আটকে দিন। হাতা, খুন্তি, কফি মগ, ছাঁকনির মতো জিনিসগুলি ছোট হুক লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া যাবে। হাতের কাছে থাকলে, সব জিনিসই দেখা গেলে তা খুঁজে পেতেও সুবিধা হবে।
সরু তাক
ছোট তাকেও মশলাপাতি সাজিয়ে রাখতে পারেন। ছবি:সংগৃহীত।
কাঠের ছোট সরু তাক লাগিয়ে নিন। দুই বা তিন থাকে তাক লাগালে দেখতে ভাল লাগবে, জায়গাও বাঁচবে। দুই দিক পেরেক দিয়ে এমন তাক সহজে লাগানো যায়। তার মধ্যে একই রকম কাচের শিশি বা শৌখিন কৌটোয় মশলা, মুদিখানার সামগ্রী ভরে রাখুন। চোখের সামনে থাকলে নিতেও সুবিধা হবে।
অ্যান্টিক তাক
একটু পুরনো ধাঁচের, কারুকাজ করা তাক লাগিয়ে নিন। দেওয়াল চওড়া হলে বড় তাক, জায়গা ছোট থাকলে ছোট তাক লাগান। তাতেই শৌখিন বাসন রাখতে পারেন। পিতলের বাসন বা চিনামাটির বাসন এখানে সাজিয়ে রাখতে পারেন। কেটলি, থালা, বাটি বা চায়ের পেয়ালা সাজিয়ে রাখলে রান্নাঘরের ভোল পাল্টে যাবে।
কার্ট
চাকাওয়ালা কার্টেও সাজিয়ে রাখতে পারেন প্রয়োজনীয় জিনিস। ছবি: সংগৃহীত।
সুদৃশ্য তিন থাক বা চার থাকের চাকাওয়ালা কার্ট রাখুন হেঁশেলে। ফিল্টার কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেই সরঞ্জাম এতে সাজিয়ে নিন। কফি খাওয়ার সময় চাকা লাগানো কার্ট সরাসরি বসার জায়গাতেও নিয়ে যাওয়া যাবে। এ ছাড়াও, রোজের ব্যবহারের চা-পাত্র, পেয়ালা— সবই রাখতে পারেন এতে।
ছোট ড্রয়ার
হেঁশেলে কিছু ড্রয়ার তৈরি করে নিন। চামচ, ছুরি, পিলার-সহ টুকিটাকি সরঞ্জাম সহজেই এতে ভরে রাখা যাবে। হেঁশেলে এমন অনেক জিনিসই দরকার হয়। বেসিনের নীচের অংশ জল নিরোধী উপাদানের পাল্লা দিয়ে ঢেকে দিন, সেখানেই রান্নাঘর পরিষ্কারের জিনিসপত্র আড়াল করে রাখা যাবে।