ICC T20 World Cup 2026

ভারতীয় দলে ফেরার রহস্য ফাঁস করলেন ঈশান, অনুশীলনে বুমরাহকে খেলতে সবচেয়ে বেশি ভয় পান বাঁ হাতি ব্যাটার

দু’বছরেরও বেশি ভারতীয় ক্রিকেটের বৃত্তের বাইরে ছিলেন তিনি। ঘুরে দাঁড়িয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভাল খেলে এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার দোরগোড়ায় ঈশান কিশন। প্রত্যাবর্তনের নেপথ্যকাহিনি শুনিয়েছেন বাঁ হাতি ব্যাটার।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৭
Share:

ঈশান কিশন। ছবি: পিটিআই।

দু’বছরেরও বেশি ভারতীয় ক্রিকেটের বৃত্তের বাইরে ছিলেন তিনি। নির্বাচনী বৈঠকে ভাবাই হত না তাঁর নাম। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভাল খেলে এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার দোরগোড়ায় ঈশান কিশন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের নেপথ্যকাহিনি শুনিয়েছেন বাঁ হাতি ব্যাটার। জানিয়েছেন, অনুশীলন জসপ্রীত বুমরাহকে খেলতে সবচেয়ে বেশি ভয় পান তিনি।

Advertisement

সম্প্রতি ‘২ স্লগারস’ পডকাস্টে এসেছিলেন ঈশান। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, দলে ফেরার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। ঈশানের কথায়, “আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। আগেও বলেছি সে কথা। নিজেকে পিছিয়ে রাখার চেষ্টা করিনি কখনও। এগিয়ে যেতে চেয়েছি। আসলে কঠিন পরিশ্রম করতেই হবে। ক্রিকেটে আর কী-ই বা করার আছে। আমাদের একটাই কাজ, পরিশ্রম করে যাও এবং রান করো। তোমার হয়ে ব্যাট কথা বলুক।”

২০২৩-এ মানসিক ক্লান্তির কারণে বিশ্রাম নিয়েছিলেন ঈশান। তার পর বিভিন্ন সময়ে বিশৃঙ্খলতার জন্য ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়েন। জাতীয় দলে ফিরে সম্প্রতি নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ে শতরান করেছেন। বিশ্বকাপের প্রথম একাদশেও জায়গা কার্যত পাকা। ঈশান বলেছেন, “একটা সময়ের পর অনেকেই আশা ছেড়ে দেয়। তখন নিজের নিয়ন্ত্রণে যেটা আছে, সেটার উপরে জোর দিতে হয়। রান করা, ক্যাচ নেওয়া, এগুলোই আনার কাজ। বাকি সবঠিক নিজের সময়ে চলে আসবে। আমারও পরিকল্পনা ওটাই ছিল। সেটা দারুণ ভাবে কাজে লেগেছে। পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলাম। ওরাও অনেক সাহায্য করেছে।”

Advertisement

ঈশান প্রশংসা করেছেন বিরাট কোহলির। জানিয়েছেন, বছর পাঁচেক আগে মুম্বইয়ের হয়ে খেলার সময় কী ভাবে দুঃখের সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন কোহলি। ২০২১-এ মুম্বইয়ের হয়ে ১০ ম্যাচে মাত্র ২৪১ রান করেছিলেন ঈশান। সেই প্রসঙ্গে বলেছেন, “একটা ম্যাচের পর মন খারাপ করে বসেছিলাম। একটা ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছিল, যখন কোনও রকমে কান্না চাপছিলাম। সেই সময় বিরাট ভাই এসে সান্ত্বনা দেয়। নিশ্চয়ই আমাকে আগেই দেখতে পেয়েছিল।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement