মহসিন নকভি। —ফাইল চিত্র।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) ত্রৈমাসিক বৈঠক হয়নি এপ্রিলে। সেই বৈঠক হবে মে মাসের শেষ সপ্তাহে ভারতে। যোগ দেওয়ার কথা আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলির বোর্ড প্রধানদের। তাই তাঁদের আইপিএল ফাইনাল দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। আমন্ত্রিতের তালিকায় রয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভিও।
আগামী ২১মে আইসিসির চিফ এগ্জ়িকিউটিভদের ভার্চুয়াল বৈঠক হওয়ার কথা। তার পর মে মাসের শেষ সপ্তাহে অহমদাবাদে রয়েছে আইসিসির বোর্ডের বৈঠক। পূর্ণ সদস্য সব দেশের বোর্ড প্রধানেরাই আইসিসির বোর্ডের সদস্য। তাই সব দেশের বোর্ড প্রধান বা তাঁদের মনোনীত প্রতিনিধিদের ভারতে আসার কথা। একই সময়ে ৩০ বা ৩১ মে হবে আইপিএল ফাইনাল। স্বাভাবিক ভাবেই আইসিসির বোর্ডের সদস্যদের আইপিএল ফাইনাল দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বিসিসিআই কর্তারা। তালিকায় রয়েছেন নকভিও।
পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সব দেশের বোর্ড প্রধানদের মতো নকভিকেও আইপিএল ফাইনাল দেখার জন্য সরকারি ভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কোনও দেশের বোর্ডই অবশ্য এ নিয়ে সরকারি ভাবে কিছু জানায়নি। নকভি ভারতে এলে বিষয়টি শুধু ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তিনি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়কমন্ত্রীও। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা এবং অপারেশন সিঁদুরের পর দু’দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক বেশ উত্তপ্ত।
একই কারণে গত এশিয়া কাপের সময় থেকে ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্ক অত্যন্ত শীতল। সে সময়ই আইসিসির মধ্যস্থতায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ২০৩০ পর্যন্ত কোনও দেশের দল অপর দেশে খেলতে যাবে না। সেই মতো গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কোনও ম্যাচ সলমন আঘার দল ভারতের মাটিতে খেলেনি। তা ছাড়া, এশিয়া কাপ জেতার পর নকভির হাত থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকার করেন সূর্যকুমার যাদবেরা। তা নিয়ে বিরোধের মাত্রা আরও চড়েছিল। তার পর এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি যাতে দু’দেশের ক্রিকেট সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে। ফলত আইসিসির বোর্ডের বৈঠকে নকভির বা তাঁর মনোনীত প্রতিনিধির যোগ দেওয়া নিয়ে সংশয় থাকছে। পিসিবির কারও যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।