(বাঁ দিকে বৈভব সূর্যবংশী এবং যশস্বী জয়সওয়াল (ডান দিকে)। ছবি: পিটিআই।
বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ৩ উইকেটে ১৫০ রান তুলল রাজস্থান রয়্যালস। গুয়াহাটিতে বৃষ্টির জন্য মঙ্গলবার খেলা শুরু হয় রাত ১০.১০-এ। টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য। বৃষ্টির জন্য ম্যাচের ওভার সংখ্যা কমে ১১ হয়ে যাওয়ায় আগ্রাসী মেজাজে ইনিংসের শুরু করে রাজস্থানের বৈভব সূর্যবংশী-যশস্বী জয়সওয়াল জুটি।
আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জন্য বৈভবকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। ১৫ বছরের ব্যাটার জসপ্রীত বুমরাহের বিরুদ্ধে কেমন ব্যাট করে, তা নিয়ে আগ্রহ ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের। হতাশ করল না বৈভব। বুমরাহের প্রথম বলেই ছক্কা। সেটাই ছিল ম্যাচে বৈভবের খেলা প্রথম বলও। বুমরাহকে প্রথম ওভারে দু’টি ছক্কা মারে বৈভব। ম্যাচের প্রথম ওভারে দীপক চাহারের বিরুদ্ধে ২২ রান তোলেন যশস্বী। তিনিই দলের ইনিংসের মেজাজ তৈরি করে দেন। সেটাই ধরে রাখার চেষ্টা করে বৈভব। শেষ পর্যন্ত বৈভব করল ১৪ বলে ৩৯। ১টি চার এবং ৫টি ছক্কা এল তার ব্যাট থেকে। তিন নম্বরে নেমে ধ্রুব জুরেল (২) রান পেলেন না। তৃতীয় উইকেটে যশস্বীর সঙ্গে জুটি তৈরি করেন অধিনায়ক রিয়ান পরাগ।
মুম্বইয়ে বোলারদের রেয়াত করেননি রাজস্থানের কোনও ব্যাটারই। ওভার সংখ্যা শুরুতেই কমে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে গোটা ইনিংসেই বেশ সাহসী ব্যাটিংয়ের চেষ্টা করেছেন তাঁরা। রিয়ান আউট হলেন ১০ বলে ২০ রান করে। মারলেন ১টি চার এবং ২টি ছয়। ২২ গজের এক প্রান্তে উইকেট পড়তে থাকলেও আর এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন যশস্বী। তাঁকে বাগে আনতে পারেননি মুম্বইয়ের বোলারেরা। আইপিএলের এ দিনই ১০০ ছক্কার মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে শেষ পর্যন্ত এল অপরাজিত ৭৭ রান। ৩২ বলের ইনিংসটি সাজালেন ১০টি চার এবং ৪টি ছয় দিয়ে। শিমরন হেটমেয়ার অপরাজিত থাকলেন ৭ বলে ৬ রান করে।
কম ওভারের ম্যাচে বোলারদের বিশেষ কিছু করার থাকে না। তার মধ্যেও ভাল বল করলেন হার্দিক। ২ ওভারে দিলেন ১৭ রান। বুমরাহ ৩ ওভারে খরচ করলেন ৩২ রান। আফগান লেগ স্পিনার গজ়ানফর নজর কাড়লেন। ২ ওভারে ২১ রান দিয়ে ২ উইকেট নিলেন তিনি। চাহার এবং ট্রেন্ট বোল্ট দু’জনেই ১ ওভার বল করে ২২ রান দিলেন। শার্দূল ঠাকুর ১ উইকেট নিলেন ৩৬ রান খরচ করে।