যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। ফাইল চিত্র।
ইস্টবেঙ্গলের আবেদনের ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই যুবভারতীতে আইএসএলের ম্যাচ আয়োজনের জন্য অর্থ মকুব করে দিয়েছিলেন। এ বার একই সুবিধে পেতে চলেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ও মহমেডান। পাশাপাশি সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার সব রাজ্যকেই অনুরোধ করেছে ফুটবলের স্বার্থে ক্লাবগুলিকে যেন বিনামূল্যে স্টেডিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়।
আইএসএলের পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়াসূচি প্রকাশ হওয়ার পরে দেখা গিয়েছিল মোহনবাগান সব ম্যাচ যুবভারতীতেই খেলবে। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল ও মহমেডান খেলবে কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে। কারণ, খরচ কমাতে যুবভারতীতে ম্যাচ আয়োজন করতে চায়নি এই দুই ক্লাবের পরিচালন সমিতি। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কর্তারা এই সিদ্ধান্ত একেবারেই মানতে রাজি হননি। পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, মাত্র ছয়-সাত হাজার দর্শকাসনের কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে ম্যাচ দেখতে যাবেন না। এর পরেই তাঁরা দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁর হস্তক্ষেপেই যুবভারতীতে বিনামূল্যে ম্যাচ আয়োজন নিশ্চিত করে ইস্টবেঙ্গল। তার পর থেকেই চর্চা তুঙ্গে, মশালবাহিনীর পথে হেঁটে মোহনবাগান ও মহমেডানও কি সরকারের কাছে স্টেডিয়ামের ভাড়া মকুব করার জন্য আবেদন করবে? আইএসএল শুরু হওয়ার আটচল্লিশ ঘণ্টা সব ক্লাবেই স্বস্তি ফিরল।
আইএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচকে কেন্দ্র করে উন্মাদনাও তুঙ্গে। শনিবার যুবভারতীতে গত বারের চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান মুখোমুখি হচ্ছে কেরল ব্লাস্টার্সের। বৃহস্পতিবার থেকে অফলাইন টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। যুবভারতীর টিকিট কাউন্টারের বাইরে উপচে পড়া ভিড়। ফুটবলারেরাও ছটফট করছেন মাঠে নামার জন্য। কেরল ম্যাচের আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে মোহনবাগান কোচ সের্খিয়ো লোবেরা অনুশীলনে সব চেয়ে বেশি জোর দিলেন কর্নার থেকে গোল করার মহড়ায়। ইস্টবেঙ্গল শিবিরে প্রধান চিন্তা নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসি-র বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে কেভিন সিবিল্লে ও মহম্মহ রকিপের শূন্য স্থান পূরণ করা। এ দিকে, বৃহস্পতিবার আইএসএলের জন্য দল ঘোষণা করল মহমেডান।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে